শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কক্ষ সংকট

পিরোজপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৭ মার্চ ২০২৬, ৭:২৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- ভোরের আকাশ
ছবি- ভোরের আকাশ

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তীব্র কক্ষ সংকটের কারণে ব্যাহত হচ্ছে সাধারণ চিকিৎসাসেবা। পর্যাপ্ত কক্ষ না থাকায় বহির্বিভাগে একই কক্ষে বসে গাদাগাদি করে রোগী দেখছেন দুইজন চিকিৎসক।এতে গোপনীয়তা রক্ষার পাশাপাশি মানসম্মত সেবা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা।

শনিবার (৭ মার্চ) বেলা এগারোটায় সরেজমিনে হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, বহির্বিভাগের ছোট একটি কক্ষে দুইজন চিকিৎসক পাশাপাশি বসে রোগী দেখছেন। কক্ষে তিল ধারণের জায়গা নেই। একই সময়ে দুইজন রোগীর সমস্যা শোনার কারণে তৈরি হচ্ছে বিশৃঙ্খলা। বিশেষ করে নারী রোগীরা তাদের ব্যক্তিগত সমস্যার কথা চিকিৎসকের কাছে খোলামেলা বলতে দ্বিধাবোধ করছেন ।

চিকিৎসা নিতে আসা রোগী পারুল বেগম জানান, "একই রুমে দুইজন ডাক্তার আর অনেক মানুষ থাকায় নিজের সমস্যার কথা ঠিকমতো বলা যায় না। চারপাশ থেকে সবাই কথা শুনছে মনে হয়।

এ ব্যাপারে কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ সুব্রত কর্মকার জানায়, চিকিৎসক আগের তুলনায় বাড়লেও  অবকাঠামো না থাকায় চিকিৎসা সেবায় বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। অস্থায়ী পুরনো ভবনে কোনমতে ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসা সেবা চলছে। অনেক কক্ষ ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় এই সমস্যা প্রকট হয়েছে।

আমাদের চিকিৎসকের সদিচ্ছা থাকলেও জায়গার অভাবে আমরা রোগীদের পর্যাপ্ত প্রাইভেসি দিতে পারছি না।একটি কক্ষে দুইজন চিকিৎসক বসাটা আদর্শ পরিস্থিতি নয়,কিন্তু রোগীদের সেবা চালু রাখতে আমাদের কোনো বিকল্প নেই।  কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমানে ৮ জন মেডিকেল অফিসার রয়েছে। 

ভবন সংকটের কারণে বিভিন্ন প্রকার জরুরী পরীক্ষা হচ্ছে না। অনেক যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। উল্লেখ্য কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবনের কাজ ১৮ বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে স্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তর। ২০০৮ সালে স্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তর টেন্ডারের মাধ্যমে ঠিকাদারি প্রতিষ্টান দ্বারা কাজ শুরু করলেও নানা অনিয়মের কারণে বর্তমানে কাজ বন্ধ রয়েছে।

কাউখালীবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি, অবিলম্বে হাসপাতালের অবকাঠামো উন্নয়ন করে কক্ষ সংখ্যা বাড়ানো হোক। সাধারণ মানুষের একমাত্র ভরসাস্থল এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির সেবার মান বজায় রাখতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

ভোরের আকাশ/ র.ই


 

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেডাঃ সুব্রত কর্মকার

শেয়ার করুন: