শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

পাবনায় গলাছিলা মুরগী চাষ করে ব্যাপক লাভবান !

পাবনা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৯ জুন ২০২৬, ৬:০০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
সংগৃহীত ছবি
সংগৃহীত ছবি

বড় বড় খামার দিয়ে যখন অনেক খামারি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন, ঠিক সেই সময়ে গলাছিলা জাতের মুরগী চাষ করে লাভের মুখ দেখছেন পাবনার অনেক খামারিরা। এই জাতের মুরগী চাষের প্রশিক্ষণ ও কারিগরী সহায়তা দিয়ে গ্রামের বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা ও আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করতে সহায়তা করে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন নামের একটি সংস্থা। তাদের সহযোগিতায় এখন অনেকেই এই জাতের মুরগী চাষ করছেন। 
 
পাবনা জেলার সদর, আটঘরিয়া ও ঈশ্বরদী উপজেলার ১৫টি প্রদর্শণী খামারে এলাকার বেকার যুবকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে পিকেএসএফ ও জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের কারিগরী ও আর্থিক সহযোগিতা্য় তাদেরকে গলাছিলা মুরগী চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। এই জাতের মুরগী চাষে খরচ খুবই কম লাগে। স্বল্প সময়ে খরচ কম হওয়ার ফলে খামারিরা আর্থিকভাবে বেশ লাভবান হচ্ছেন।

পাবনা সদর, আটঘরিয়া ও ঈশ্বরদী উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের ১৫ জন বেকার যুবক ও যুবতীদের এই গলাছিলা মুরগীর জন্য উদ্বুদ্ধ করে খামার দেয়া হয়।
আটঘরিয়া উপজেলার সড়াবাড়িয়া গ্রামের নাহিদা খাতুন ও সানোয়ার হোসেন দম্পতি ১০০টি ১দিনের এই গলাছিলা জাতের মুরগী ৪ হাজার টাকা দিয়ে তোলেন।৬০দিন পালন করে তারা এখান থেকে খরচ বাদ দিয়ে ২৫ হাজার টাকা লাভ করেছেন।

আরও পড়ুন

সবার মুখে ‘অ্যানি’র প্রশংসা, তবুও তুষির মন খারাপ

উদ্যোক্তা সানোয়ার হোসেন জানান, বয়লার, লেয়ারসহ অন্যান্য মুরগী চাষে যেমন প্রচুর ঝুঁকি থাকে সেখানে এই জাতের মুরগী পালনে তেমন কোনো ঝুকি থাকে না।হিট স্ট্রকে মৃত্যুর ঝুঁকিও কম। খাদ্য খরচ ও ঔষুধ কম লাগে। গলাছিলা মুরগী দেখতে ও মাংসের স্বাদ দেশীয় মুরগীর মত হওয়ায় বাজারে এর চাহিদাও অনেক বেশি । চাহিদা ও দাম ভালো হওয়ায় লাভের পরিমানটাও বেশি হয়।তিনি আরো জানান, তার দেখাদেখি অনেকেই এই মুরগী চাষে ব্যাপক আগ্রহ দেখাচ্ছে।

জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: মাইদুল ইসলাম জানান, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা পিকেএসএফের পৃষ্ঠপোষকতায় ও জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের আর্থিক ও কারিগরী সহযোহিতায় বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যেই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এধরনে উদ্যোক্তা তৈরির জন্য তারা কাজ করে যাচ্ছেন।এই গলাছিলা জাতের মুরগী দেখতে দেশীয় মুরগীর মত।এটা লালন পালনে ঝুঁকিও কম।কম সময়ে স্বল্প খরচে লাভ ভালো হয়। তাই বেকার যুবক ও যুবতীদের এই মুরগী চাষে তারা আকৃষ্ট করছেন।এখানে স্বল্প পুঁজিতে মাসিক ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা ইনকাম করা সম্ভব। ফলে একদিকে তাদের বেকারত্ব দূর এবং আয়ের একটা সংস্থান হচ্ছে।

ভোরের আকাশ/এনউব

মুরগী চাষ

শেয়ার করুন: