শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

শ্রীপুরে বৃষ্টিতে বিদ্যালয় মাঠে হাঁটু পানি, দুর্ভোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থী

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ৬:৪০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মাওনা জেএম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতার কবলে পড়ে। এতে ভোগান্তি পোহায় বিদ্যালয়টির সহস্রাধিক শিক্ষার্থী। 

পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টি হলেই প্রায় আড়াই ফুট গভীর পানি মাড়িয়েই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের।

গত মঙ্গলবার রাতভর বৃষ্টি হয়। সকাল থেকেই জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে বিকেলে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের মূল ফটক থেকে শুরু করে পুরো খেলার মাঠ পানির নিচে।

দেখে বোঝার উপায় নেই এটি কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ নাকি কোনো পুকুর। কোথাও হাঁটু পানি আবার কোথাও তা থেকে বেশি। পানি বেরিয়ে যাওয়ার সকল পথই বন্ধ। পানি মাড়িয়েই বিদ্যালয় থেকে বের হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে মাঠের কোনো কোনো অংশে প্রায় আড়াই ফুট পর্যন্ত পানি জমে আছে। বিশেষ করে গত রোববার রাতে ও মঙ্গলবারের বৃষ্টিতে ভোগান্তি আরো বেড়েছে। স্কুলে প্রবেশের জন্য বিকল্প কোনো রাস্তা না থাকায় শিশু শিক্ষার্থীরা প্যান্ট ও জামা হাঁটু পর্যন্ত গুটিয়ে কোনোমতে স্কুলে ঢুকে। 

কেবল স্কুলে প্রবেশ নয়, এক ভবন থেকে অন্য ভবনে যাওয়ার জন্য কিংবা শৌচাগারে যাওয়ার জন্য তাদের এই কর্দমাক্ত ও নোংরা পানি পাড়ি দিতে হচ্ছে। এতে করে চর্মরোগসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে কোমলমতি শিশুরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাওনা জেএম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা এক হাজার। তাদের জন্য ওই স্কুলে শিক্ষক আছেন ১৯ জন। প্রতি বছর স্কুলটি ফলাফলেও উপজেলায় এগিয়ে থাকে।

স্কুল কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়দের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, আগে বিদ্যালয়ের মাঠের পানি ভবনের পেছনের দিক দিয়ে নিচু জমিতে প্রাকৃতিকভাবে নিষ্কাশিত হতো। কিন্তু গত দুই বছরের ব্যবধানে স্কুলের পেছনের ওই নিচু জমিগুলোতে স্থায়ী ঘরবাড়ি ও স্থাপনা নির্মাণ করা হয়। 

এর ফলে পানি যাওয়ার কোনো নালা বা পথ অবশিষ্ট নেই। একটু বৃষ্টি হলেই চারপাশের পানি স্কুলের মাঠে এসে জমা হয় এবং দীর্ঘ সময় ধরে তা আটকে থাকে।

অভিভাবকরা জানান, বৃষ্টির দিনগুলোতে বাচ্চাদের স্কুলে পাঠিয়ে তারা দুশ্চিন্তায় থাকেন। মাঠের কোনো কোনো জায়গায় গর্ত থাকায় শিশুরা পড়ে গিয়ে বড় দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে।

মাওনা জেএম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আয়েশা আক্তার তার শঙ্কার কথা জানিয়ে বলেন, স্কুলে এক হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। তাদের নিরাপত্তার কথা ভেবে আমরা সবসময় আতঙ্কে থাকি। কখন কোন শিশু পানিতে পড়ে গিয়ে অঘটন ঘটায় বলা যায় না। 

বিষয়টি নিয়ে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি, আবেদন করেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত বাস্তবে কোনো প্রতিকার পাইনি। একটি আদর্শ স্কুলের জন্য নিরাপদ পরিবেশ অত্যন্ত জরুরি।

আরও পড়ুন

শ্রীপুরে ঘোড়ার মাংস বিক্রির অভিযোগে আটক ১

এ বিষয়ে শ্রীপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফাতেমা নাসরিন বলেন, বিদ্যালয়টি উপজেলা সবচেয়ে বড়। জলাবদ্ধতার বিষয়টি আগেই আমাদের নজরে এসেছে। 

জলাবদ্ধতা নিরসনে পৌরসভার পক্ষ থেকে ড্রেন নির্মাণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ড্রেন নির্মাণ করা হলেই জলাবদ্ধতা নিরসন হবে।

ভোরের আকাশ/ র.ই

দুর্ভোগ চরমেফাতেমা নাসরিন

শেয়ার করুন: