কিশোরগঞ্জ-২ আসনে ৬ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে ৬ জন প্রার্থীর। নির্বাচনী বিধি মোতাবেক কোনো প্রার্থী প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের একভাগ ভোট না পেলে ওই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। তারা ছয়জনই ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় ও গণভোট নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের একভাগ ভোট পাননি।
জামানত বাজেয়াপ্তরা হলেন, জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী মো. আফজাল হোসেন ভূঁইয়া। লাঙ্গল প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২ হাজার ১১৩ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত মো. আবুল বাসার রেজওয়ান। হাতপাখা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩ হাজার ৫৬৬ ভোট। গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম। ট্রাক প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩৯৫ ভোট। বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের প্রার্থী মো. বিল্লাল হোসেন। টেলিভিশন প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২২২ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী নূর উদ্দীন আহমেদ। মোটরসাইকেল প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ হাজার ৩১৩ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী মো.আনিসুজ্জামান খোকন। ময়ূর প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩৬৩ ভোট।
কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনে মোট ভোটার রয়েছে ৫ লাখ ৩২ হাজার ৫১৬ জন। এ আসনের কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়া দুটি উপজেলার ১৭১টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ৮০ হাজার ১১ জন। তন্মেধ্যে বৈধ ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৭২ হাজার ৬১৬ জন। বাতিল ভোটের সংখ্যা ৭ হাজার ৩৯৫। প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ৫২.৫৮%।
এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা মো.শফিকুল ইসলাম মোড়লকে ২২ হাজার ৬৯৪ ভোটে হারিয়ে বিজয়ী হন বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন। নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে মো. জালাল উদ্দিন পান ১ লাখ ৪৩ হাজার ৬৬৯ ভোট। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে শফিকুল ইসলাম মোড়ল পান ১ লাখ ২০ হাজার ৯৯৭ ভোট।
ভোরের আকাশ/আ.র