শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বাদাম চাষে ঝুঁকছেন কৃষকেরা

নেত্রকোণা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৯ এপ্রিল ২০২৫, ১০:৩৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
বাদাম চাষে ঝুঁকছেন কৃষকেরা
বাদাম চাষে ঝুঁকছেন কৃষকেরা

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বাদাম চাষ। কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় বাদাম চাষে ঝুঁকছেন উপজেলার কৃষকেরা। উপজেলায় দুইটি মৌসুমে বাদাম চাষ করা হয়।

কৃষি বিভাগ বলছে, পুরো উপজেলার ২৫ হেক্টর জমিতে বাদাম চাষ করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি চাষ করা হয়েছে গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নে। ফলন হয়েছে সন্তোষজনক। বালু মাটি বাদাম চাষের উপযোগী হওয়া ও এতে ধানের ফলন ভালো না হওয়ায় বাদাম চাষ করছেন কৃষকরা।

সরেজমিন গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের ফসলের মাঠে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ বাদাম ক্ষেত। বাতাসে দোল খাচ্ছে বাতাম গাছের সবুজ পাতা। সূর্যের তাপ উপেক্ষা করে বাদাম ক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।

এ সময় কথা হয় শংকরপুর গ্রামের কৃষক মো. নূর মোহাম্মদের সঙ্গে। তিনি প্রায় ৩০ বছর ধরে বাদামের চাষ করে আসছেন। চার একর জমিতে লাখ টাকা খরচ করে বাদাম চাষ করেছেন। তাতে কয়েকগুণ লাভের আশা করছেন তিনি।

কৃষক নূর মোহাম্মদ বলেন, আমাদের এখানে ধানের ফলন ভালো হয় না। কিন্তু বাদামের ফলন ভালো হয়। আমার ক্ষেতের বাদাম ১৫-২০ দিনের মধ্যে তুলে বাজারজাত করব। আশা করছি, আগের থেকে অনেক বেশি লাভ হবে।

একই গ্রামের বাদাম চাষি আব্দুল মান্নান। তিনিও ২০ বছর ধরে বাদাম চাষ করেছেন। তার দেড় একর জমিতে বাদামের বাম্পার ফলন হয়েছে। এ জন্য তিনিও খুশি। তবে সেচের সুযোগ-সুবিধা বাড়লে আরো বেশি চাষাবাদ করা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।

দুর্গাপুর উপজেলা কৃষি অফিসার নিপা বিশ্বাস বলেন, বাদাম লাভজনক আবাদ। অন্যান্য বারের চেয়েও এবার ফলন ভালো হয়েছে। এ বছর বাদাম বিক্রি করে কৃষকরা তাদের খরচ মিটিয়েও প্রায় ৫০ লাখ টাকা লাভবান হবেন আশা করছি।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

শেয়ার করুন: