শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কুমিল্লায় ৮ হাজার ৩১৮ সিমসহ ভিওআইপি সরঞ্জাম উদ্ধার

কুমিল্লা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৬:৫২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

কুমিল্লা নগরীর কাপ্তান বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮ হাজার ৩১৮টি মোবাইল সিমসহ বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভিওআইপি সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১১)। 

অভিযানের সময় অভিযুক্ত ভিওআইপি ব্যবসায়ী পালিয়ে যান। বুধবার (২২ এপ্রিল) র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ কুমিল্লা কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‍্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাতে র‌্যাব-১১-এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল নগরের কাপ্তান বাজার এলাকায় অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার বিরুদ্ধে অভিযান চালায়। অভিযানের সময় মো. আবু সাঈদ চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

অভিযানে তার বাসা থেকে ৮ হাজার ৩১৮টি মোবাইল সিম, দুইটি সিম বক্স, দুইটি মনিটর, দুইটি সিপিইউ, দুইটি রাউটার, একটি ল্যাপটপ, একটি পিসি ও দুইটি কিবোর্ড উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব আরো জানায়, পলাতক আবু সাঈদ চৌধুরী (৩৪) নগরের কাপ্তান বাজার এলাকার আব্দুল মতিন চৌধুরীর ছেলে। তিনি একটি অবৈধ ভিওআইপি চক্রের সক্রিয় সদস্য এবং দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) থেকে লাইসেন্স ছাড়াই এ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন।

এ ছাড়া, সফটওয়্যারভিত্তিক সুইচের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক কল রাউটিং, সরকারের কর ও রাজস্ব ফাঁকি এবং অবৈধভাবে পেমেন্ট ও রিচার্জ সেবা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

র‌্যাব-১১ জানায়, পলাতক আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে এবং অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ভোরের আকাশ/ র.ই

সরঞ্জামআবু সাঈদ চৌধুরী

শেয়ার করুন: