শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সন্তানের হাইকোর্টে আপিলের জন্য অসহায় পিতার মানবিক আবেদন

টেকনাফ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের নাইক্যংখালী গ্রামের এক হতদরিদ্র জেলে পরিবার আজ চরম মানবিক সংকটে দিন কাটাচ্ছে।

পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সন্তান মোহাম্মদ নুর (পিতা: আব্দুস সালাম মাঝি, প্রকাশ আব্দু মাঝি; মাতা: ছবুরা খাতুন) বর্তমানে একটি মাদক মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে বন্দি রয়েছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৬ জুন রাতে জীবিকার তাগিদে নাফ নদীতে মাছ ধরতে গেলে মোহাম্মদ নুর বিজিবির হাতে আটক হন। পরে তার বিরুদ্ধে মামলা নং-৩৯/৫৭ এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার সারণির ১০(গ)/৪১ অনুযায়ী প্রায় ২৪ কোটি ৫৭ লক্ষ টাকা মূল্যের মাদক উদ্ধারের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়।

মামলাটি টেকনাফের বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত নং-০৫-এ বিচারাধীন ছিল। সম্প্রতি আদালত এই মামলায় মোহাম্মদ নুরকে মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রদান করেন।

পরিবারের দাবি, মোহাম্মদ নুর একজন সাধারণ জেলে এবং নাফ নদীতে মাছ ধরা ছিল তার একমাত্র পেশা।

চরম দারিদ্র্যের কারণে শুরু থেকেই পরিবারটি দক্ষ আইনজীবী নিয়োগ, জামিন আবেদন কিংবা মামলার যথাযথ প্রস্তুতি নিতে পারেনি। দীর্ঘদিন ধরে মামলা পরিচালনা করতে গিয়ে পরিবারটি সম্পূর্ণ নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।

বর্তমানে আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়বিচার প্রত্যাশায় হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করা অত্যন্ত জরুরি ও অপরিহার্য।

আইন অনুযায়ী, এমন রায়ের ক্ষেত্রে হাইকোর্টে আপিল ও ডেথ রেফারেন্স শুনানি বাধ্যতামূলক। কিন্তু অসহায় পরিবারটির পক্ষে ঢাকায় গিয়ে হাইকোর্টে আপিল দায়ের, আইনজীবী নিয়োগ, মামলা পরিচালনা এবং যাতায়াত ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ বহন করা একেবারেই অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অসহায় পিতা আব্দুস সালাম মাঝি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি একজন দরিদ্র অসহায় মানুষ। হাইকোর্টে না গেলে আমার ছেলের আপিল হবে না। কিন্তু ঢাকায় যাওয়ার ভাড়া, থাকা-খাওয়া আর আইনজীবীর খরচ—কিছুই বহন করার ক্ষমতা আমার নেই।

মানুষের সহযোগিতা ছাড়া আমার সন্তানের জীবন বাঁচানো সম্ভব নয়। এই অবস্থায় তিনি দেশের মানবিক মানুষ, সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, আইনজীবী সমাজ, মানবাধিকার সংগঠন ও স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে হাইকোর্টে আপিল দায়ের ও মামলা পরিচালনার জন্য আর্থিক ও আইনি সহায়তার আকুল আবেদন জানিয়েছেন।

সহায়তার ঠিকানা-বিকাশ নম্বর: ০১৩০৬-৭১২৪১১

ভোরের আকাশ/নি. ব

মানবিক আবেদন

শেয়ার করুন: