শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

গাইবান্ধায় ব্যবসায়ীদের দখলে ফুটপাত, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩:০৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

ব্যবসায়ীরা যে যেমন ভাবে পাড়ছে তেমনি ভাবে মালামাল রাখছেন ফুটপাত দখল করে। ফলে বিপাকে পড়তে হচ্ছে পথচারীদের। বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়ে সড়ক দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে করে প্রায় সময়ই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। বলছিলাম উত্তরের জনপদ গাইবান্ধা জেলা শহরের কথা।

সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, শহরের স্টেশন রোড, দাশবেকারী মোড়, সার্কুলার রোড, ডিবি রোড, খন্দকার মোড়, পুরাতন বাজারের উভয় গেট, পিকে বিশ্বাস রোড, পার্ক রোড, সাঘাটা রোড, নাকাইহাট রোড, সাদুল্লাপুর রোড এবং রেলগেট এলাকাসহ পৌরসভার অধিকাংশ ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছে। কোথাও দোকানের মালামাল, আবার কোথাও অস্থায়ী দোকান বসিয়ে পথচারীদের চলাচলের পথ সংকুচিত করে ফেলা হয়েছে।

হাটাচলার জন্য পৌর এলাকায় সড়কের উভয় পাশে ফুটপাত রাখা হয়। গাইবান্ধা পৌরসভাতেও বেশ কিছু সড়কে ফুটপাত ছিলো, এখনো কোন কোন সড়কে ফুটপাত আছে। কিন্তু সেই হাটার সুযোগ পায়না পথচারী ও পৌরবাসী। কারন এসব ফুটপাতের বেশীরভাগই দখলে।

কথা হয় ফুটপাত দখল করে দিব্বি ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া চুড়িপট্টি'র মেসার্স সাইফুল স্টোরের স্বত্বাধিকারী সঙ্গে তিনি বলেন,  আগেই থেকেই আমরা দোকানের মালামাল রাস্তায় রেখেই ব্যবসা করছি। তা ছাড়া আমাদের দোকানগুলো ছোট ছোট। সব মালামাল ভিতরে রাখা যায় না। আর কিছু মালামাল আছে এগুলো বের করে না রাখলে ক্রেতাদের চোখে পড়বে না তাই দোকানের বাহিরে মালামাল গুলো রাখতে হয় আমাদের।

সদর উপজেলার বল্লমঝাড় এলাকা থেকে শহরে বাজার করতে আসা শাকিল মিয়া বলেন, আমরা প্রায় সময়ই এই সড়ক দিয়ে হাটা চলাচল করি। অন্য অন্য জায়গাতে ফুটপাত দখল মুক্ত থাকলেও এই কাঁচারি বাজার সান্দারপট্টি এলাকা সব সময়ই দখল করে মালামাল সাজিয়ে রাখেন ব্যবসায়ীরা। যার ফলে ফুটপাত দিয়ে চলাচল করা সম্ভব না হওয়ার সড়ক দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, এই তো মাস খানেক আগে আমি পায়ে হেঁটে পুরাতন বাজারে দিকে যাচ্ছিলাম, কিন্তু এই সান্দারপট্টি এলাকায় আসার পরে রিকশার চাকা আমার পায়ের উপরে তুলে দিল। আর যদি ফুটপাত মুক্ত থাকতো তাহলে আমরা ওখানে দিয়েই চলাচল করতে পারতাম। তাহলে আর এমন দুর্ঘটনা ঘটতো না। তাই অতি তারাতারি এই এলাকার ফুটপাত দখল মুক্ত করা হোক।

গাইবান্ধার সচেতন নাগরিকরা বলছেন, পৌরভবনের চারপাশেই ফুটপাত দখল হয়ে আছে। প্রতিদিন যাতায়াত করলেও পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারীদের নজড়ে পড়েনা। এভাবে আর কতদিন ভোগান্তি পেতে হবে পথচারীরাদের। দ্রুত ফুটপাত দখলমুক্ত করে পথচারীদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে হবে।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল হানিফ সরদার ভোরের আকাশকে বলেন, ' আমরা কয়েকবার তাদের মৌখিক ভাবে দখলমুক্ত করার জন্য বলে এসেছি। সর্বশেষ প্রশাসক স্যার নিজে দাঁড়িয়ে থেকে দখলমুক্ত করার জন্য বলে এসেছে। তার পরেও তারা দখলমুক্ত করছে না। এখানে কিছু দোকানদার আছে তারা পৌরসভাকে কোনো হিসেবেই করে না। এখন প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।'

ভোরের আকাশ/ র.ই

 

 

 

 


 

ফুটপাত দখলমুক্তমো. আব্দুল হানিফ সরদার 

শেয়ার করুন: