শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কুমিল্লায় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা

কুমিল্লা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৭:৪৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

কুমিল্লা  জেলায় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস (ডিআরআর) ও ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) বাস্তবায়ন সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের আয়োজনে ও ইয়ং পাওয়ার ইন সোস্যাল এ্যাকশান (ইপসা)’র সহযোগিতা আজ বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। 

জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বক্তব্য দেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সাইফুল ইসলাম, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবেদ আলী ও ইয়ং পাওয়ার ইন সোস্যাল এ্যাকশান (ইপসা)-এর প্রজেক্ট ম্যানেজার জহিরুল ইসলাম আবুল বাশার লিটনসহ সংশ্লিষ্টরা।

জেলা প্রশাসক বলেন, গ্রাম থেকে ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসের কার্যক্রম সর্বোচ্চ স্বচ্ছতার ভিত্তিতে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে। এছাড়াও স্থানীয় জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে ঝুঁকি নিরূপণ এবং কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা ও তা বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয় এবং উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সমন্বয় করলে জনগণ দীর্ঘমেয়াদী সুফল পাবে। প্রকল্প বাস্তবায়নের পর আর কোন সমস্যা আছে কিনা তা তদারকি করতে হবে।

আলোচনায় জানানো হয়, দাতা সংস্থা বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)-এর সহায়তায় বাস্তবায়িত প্রকল্পের আওতায় জেলার বিভিন্ন স্থানে অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। স্থানীয় জনগণের অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে উন্নয়ন স্কিম নির্বাচন করে মোট ৯টি প্রকল্প বাস্তবায়নে ৬ কোটি ৪০ লাখ টাকার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তবে কিছু কারিগরি জটিলতার কারণে সামান্য অর্থ ব্যয় করা সম্ভব হয়নি বলে জানানো হয়।

আরো জানানো হয়, প্রকল্পের আওতায় বন্যা পরবর্তি সময়ে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় জগৎপুর, উত্তরগ্রাম, ভবানিপুর ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক সড়ক সংস্কার করা হয়েছে। একইভাবে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায়ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হয়েছে, যা স্থানীয় জনজীবনে স্বস্তি এনেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রকল্পভুক্ত সড়কগুলোর নকশা ও পরিমাপ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এবং উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হয়। বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও), এলজিইডি ও উপজেলা প্রশাসন সমন্বিতভাবে কাজ করে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই সব কার্যক্রম শেষ করেছে।

ভোরের আকাশ/ র.ই

কর্মশালা অনুষ্ঠিতমো. সাইফুল ইসলাম

শেয়ার করুন: