শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নামের মিলের অজুহাতে দিনমজুর গ্রেফতার, পুলিশকে ঘুষ দিয়েও মেলেনি মুক্তি

বাগেরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৫, ২:৪৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
নামের মিলের অজুহাতে দিনমজুর গ্রেফতার, পুলিশকে ঘুষ দিয়েও মেলেনি মুক্তি
নামের মিলের অজুহাতে দিনমজুর গ্রেফতার, পুলিশকে ঘুষ দিয়েও মেলেনি মুক্তি

নামের সাথে মিল থাকার অজুহাতে বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার এক দিনমজুরকে আওয়ামী লীগ নেতা সন্দেহে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশকে ঘুষ দিয়েও মুক্তি মেলেনি দিনমজুরের।

সোমবার (১২ মে) দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে কান্না জড়িত কণ্ঠে এমন অভিযোগ করেন দিনমজুর কালাম খাঁর স্ত্রী খোদেজা বেগম।

গত ৯ মে শুক্রবার গভীর রাতে কচুয়া উপজেলার মসনিগ্রাম থেকে কালাম খাঁনামের এই দিনমজুরকে আটক করে কচুয়া থানা পুলিশ। এদিকে, কালাম খাঁকে গ্রেপ্তারের পর তার স্ত্রী খোদেজা বেগম পুলিশদের ১০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়েও স্বামীকে মুক্ত করতে পারেনি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে খোদেজা বেগম বলেন, গত ৯ মে শুক্রবার গভীর রাতে কচুয়া থানা পুলিশ আমাদের বাড়ীতে পুলিশ প্রবেশ করে। এসময় তারা আমার স্বামীকে কচুয়া উপজেলার বাধাল ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বলতে থাকে এবং আপনার নামে মামলা আছে বলে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। এসময় আমি তাদের বারবার বলতে থাকি আপনারা যার কথা বলছেন তিনি মোঃ কালাম খাঁ এবং তার পিতার নাম আয়ুব আলী। আর আমার স্বামীর নাম কালাম খাঁ এবং তার পিতার নাম বারেক খাঁ। এরপরও পুলিশ কোন প্রকার যাচাই-বাছাই না করে আমার স্বামীকে টেনে হিছড়ে ঘর থেকে বের করে নিয়ে যায়। পরের দিন শনিবার সকালে আমিসহ আমার পরিবারের সদস্যরা আমার স্বামীর ভোটার আইডি কার্ড নিয়ে কচুয়া থানায় গেলে পুলিশ সদস্যরা আমাকে বলে ২৫ হাজার টাকা দিলে আপনার স্বামীকে ছেড়ে দেয়া হবে।

কান্না জাড়িত কণ্ঠে খোদেজা বেগম আরও বলেন, আমি আমার কিছু স্বর্নালংকার বন্ধক রেখে ১০ হাজার টাকা জোগাড় করে পুলিশের হাতে তুলে দিলেও তারা আমার স্বামীকে ছেড়ে না দিয়ে উল্টো রাজনৈতিক হয়রানী মূলক মামলায় চালান করে দেয়।

এ বিষয়ে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রাশেদুল আলম বলেন, নাশকতা মামলায় অপারেশন ডেভিল হান্টের অংশ হিসাবে কালাম খাঁকে আটক করা হয়। কালাম খাঁ কচুয়া উপজেলার বাধাল ইউনিয়নে মসনি গ্রামে শশুর বাড়ীতে বসবাস করে। তার বাবার নাম আয়ুব আলী। তিনি বাধাল ইউনিয়নের কলমিবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আইডি কার্ডে পিতা হিসাবে বারেক খাঁর নাম উল্লেখ করেছেন। মূলত বারেক খাঁর তার শশুর এর নাম। তিনি গ্রেপ্তার এড়াতে এ কৌশল অবলম্বন করেছেন। আর ১০ হাজার টাকা ঘুষ এর বিষয়টি মিথ্যা-বানোয়াট ও ভিত্তিহিন।  

ভোরের আকাশ/এসআই

শেয়ার করুন: