শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কাউখালী

ভিক্ষা করে ৪০ বছর জীবনযাপন করছে নেহারুল বেগম

পিরোজপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ৪:০০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার সদর ইউনিয়নের গান্ডতা গ্রামের অসহায় নারী নেহারুল বেগম (৬০) দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছর ধরে মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভিক্ষা করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। 

স্বামী-সন্তান থাকা সত্ত্বেও অভাব-অনটনের কারণে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তিনি। মাথা গোঁজার ঠাঁই না থাকায় বর্তমানে একই গ্রামের সোমেদ মিস্ত্রির বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নেহারুল বেগমের স্বামী শাহাদত হোসেন জীবিত থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রী-সন্তানের কোনো খোঁজখবর রাখেন না। সংসারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে বৃদ্ধ শাশুড়ি, এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে অনেক কষ্টে জীবন পার করছেন নেহারুল বেগম। 

বয়সের ভার ও নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ায় এখন আর আগের মতো চলাফেরা করতে পারেন না। তারপরও প্রতিদিন মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভিক্ষা করে যা পান, তা দিয়েই কোনোমতে সংসার চালান।

নেহারুল বেগম বলেন, প্রতিদিন তিন থেকে চার কেজি চাল ভিক্ষা পাই। এগুলো বিক্রি করে বা খেয়ে কোনোমতে চলি। কিন্তু এখন আর শরীর চলে না। চোখে ভালো দেখি না, নানা রোগে ভুগছি। টাকার অভাবে চিকিৎসাও করাতে পারছি না। 

তিনি আরও বলেন, “আমার নিজের কোনো ঘরবাড়ি নাই। অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে আছি। সরকার যদি আমাকে একটা ঘর দিত, তাহলে জীবনের বাকি সময়টা শান্তিতে কাটাতে পারতাম।

স্থানীয় ইউপি সদস্য জাকির হোসেন বলেন, নেহারুল বেগম ভিক্ষা করে কোনমতে চলে। অনেক কষ্ট করে জীবন কাটাচ্ছে। বয়স হয়ে গেছে, এখন তার পক্ষে ভিক্ষা করা খুব কষ্টকর। 

আরেক স্থানীয় বাসিন্দা আমেনা বেগম বলেন, “মানুষের সহানুভূতিতে তিনি বেঁচে আছেন। অসুস্থ শরীর নিয়ে প্রতিদিন ভিক্ষা করতে বের হওয়া খুব কষ্টের। সমাজের বিত্তবানদেরও তার পাশে দাঁড়ানো উচিত।

এ বিষয়ে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এলে প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নিয়ে সরকারি সহায়তার আওতায় আনার চেষ্টা করা হবে। যদি তিনি প্রকৃতপক্ষে গৃহহীন ও অসহায় হয়ে থাকেন, তাহলে সরকারের আশ্রয়ন প্রকল্পসহ অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় সহায়তা প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

কাউখালী উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মতিউর রহমান জানান, অসহায় ও দুস্থ ব্যক্তিদের জন্য সরকারের বিভিন্ন ভাতা ও সহায়তা কার্যক্রম রয়েছে। 

আরও পড়ুন

‘মান্দায় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান,

আবেদন ও যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ভাতার আওতায় আনার চেষ্টা করা হবে।

ভোরের আকাশ/ র.ই


 

কাউখালীনেহারুল বেগম

শেয়ার করুন: