শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নাইক্ষ্যংছড়ির অপহ্নত মোর্শেদ মুক্তিপণ দিয়ে ফিরে এসেছেন

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার

প্রকাশ : ৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩:৫৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

কক্সবাজার সীমান্তবর্তী বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের ক্যংঙ্গারবিল এলাকা থেকে অপহৃত তরুণ মোটরসাইকেল চালক মোর্শেদ আলম (২০) অবশেষে মুক্তিপণ দিয়ে ফিরে এসেছেন।

সোমবার (৬ এপ্রিল) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণের বিনিময়ে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার মালুমঘাট এলাকার একটি গহীন পাহাড় থেকে তাকে দুর্বৃত্তরা ছেড়ে দেয় বলে জানিয়েছেন স্বজনরা। মোর্শেদ আলম উত্তর বাইশারী গ্রামের মৃত নুরুল হাকিমের ছেলে।

তার স্বজনরা জানান, গত রোববার বাইশারী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড ক্যংঙ্গারবিল এলাকা থেকে সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা মোর্শেদকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে অপহরণকারীরা পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে। দীর্ঘ চেষ্টা ও মানুষের কাছ থেকে ধার-দেনা করে পরিবারটি ৩০ হাজার টাকা জোগাড় করে দুর্বৃত্তদের দেওয়ার পর তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। 

এর আগে জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে পাড়ি জমানো তার বাবা সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন। অর্থাভাবে পরিবারের পক্ষে তার মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে পরিবারটির একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন মোর্শেদ।

মুক্তি পাওয়া মোর্শেদ বলেন, আমাকে চোখ বেঁধে পাহাড়ের ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়। সারারাত বেঁধে রেখে মারধর করেছে। পরিবারের কাছ থেকে টাকা পাওয়ার পর ভোরে আমাকে ছেড়ে দেয়।

তবে পুলিশের তৎপরতার কারণেই অপহরণকারীরা দ্রুত সময়ের মধ্যে মোর্শেদকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছে বলে দাবি করেছেন নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ওসি আবদুল বাতেন মৃধা। 

তিনি বলেন, অপহরণের বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই সম্ভাব্য স্থানে পুলিশ টিম পাঠানো হয়। পুলিশি তৎপরতার কারণে তাকে দ্রুত ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছ অপহরণকারীরা। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভোরের আকাশ/ র.ই


 

অপহৃতমোর্শেদ আলম

শেয়ার করুন: