শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

লক্ষ্মীপুরে তীব্র জ্বালানি তেল সংকট

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৮ মার্চ ২০২৬, ৫:২৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

জেলার বিভিন্ন এলাকায় তীব্র জ্বালানি তেল সংকটের কারণে সাধারণ মানুষ ও যানবাহনের জীবন বিপর্যস্ত হয়েছে। কমলনগর, রামগঞ্জ, রায়পুর, রামগতি ও সদর উপজেলার প্রায় সব পেট্রোল পাম্পে পেট্রোল, ডিজেল ও অকটেল মিলছে না। 

মিলল সেটা গোপনে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।  শহরের অনুমোদিত ডিলারদের কাছে তেলের স্টক প্রায় শূন্য বলে জানানো হয়েছে। সংকটের কারণে কিছু পাম্পে সামান্য পরিমাণ তেল বিক্রি হলেও তা প্রায়ই ইফতারের পর সীমিত সময়ের জন্য। দিনের বাকি সময়ে সাধারণ যানবাহন তেল পাওয়া প্রায় অসম্ভব।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তেল সংকটের কারণে যানবাহন চলাচল বন্ধ বা সীমিত হয়ে গেছে। ট্রাক ড্রাইভার রমিজ উদ্দিন বলেন, “বাজারে তেল নেই, তাই আমরা গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছি না। প্রতিদিনই দীর্ঘ দূরত্বে তেল খুঁজে বের করতে হয়।”অনেক সময় দামও দিতে হয় বেশি।

আরেকজন ট্রাক ড্রাইভার জহর কান্তি জানান, “কখন তেল আসবে তা বোঝা যায় না। গুরুত্বপূর্ণ  সময়েও আমাদের কাজ থেমে যায়। এতে ব্যবসা-বাণিজ্য ও সরবরাহ চেইনও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।”

মোটরসাইকেল চালক মোহাম্মদ রানা বলেন, “দীর্ঘ ৪ কিলোমিটার হেঁটে উত্তর তেমুহনী পাম্পে এসে ১৫০ টাকার তেল নিতে পেরেছি। তেলের পরিমাণ সীমিত ছিল, এবং অনেক সময়ই তেল না পেয়ে ফিরে যেতে হয়।”

পাম্পের মালিকরা জানিয়েছেন, জ্বালানি তেল ব্যবসা লাভ হওয়ার জন্যই পরিচালিত হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মালিক বলেন, “আমরা চাইলে কম দামে তেল বিক্রি করতে পারি না। কারণ আমরাও ন্যায্য দামে তেল পাই না। শ্রমিক ও স্টাফ খরচসহ বিভিন্ন পরিচালন ব্যয় আছে। তেলের দাম মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে আরও বাড়তে পারে।”

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জেলার তেল সংকট যদি দীর্ঘায়িত হয়, তবে পরিবহন খাত, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন আরও জটিল হয়ে উঠবে। স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তারা এখনও সংকট মোকাবিলার স্থায়ী পরিকল্পনা ঘোষণা করেননি।

ভোরের আকাশ/ র.ই


 

জ্বালানি তেলমোহাম্মদ রানা

শেয়ার করুন: