শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

খুলনায় ৮৪০ ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৫৬৬ টি

খুলনা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৩:১৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

খুলনার ৬টি আসনের মধ্যে মোট ভোটকেন্দ্র ৮৪০টি। এর মধ্যে ৫৬৬টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। তাদের ভাষায় কেন্দ্রগুলো গুরুত্বপূর্ণ। তপসিল ঘোষণার আগেই মাঠ জরিপ করে এসব কেন্দ্রের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। এসব কেন্দ্রে ইতোমধ্যে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। কাল থেকে থাকবে অতিরিক্ত পুলিশ। তাদের সঙ্গে থাকবে বডি ক্যামেরা।

তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে খুলনা-৬ আসন ৮৩ দশমিক ২২ শতাংশ। সবচেয়ে কম খুলনা মহানগরীর ১ থেকে ১৫ নম্বর ওয়ার্ড এবং আড়ংঘাটা ও যোগীপোলের একাংশ নিয়ে গঠিত খুলনা-৩ নম্বর আসন। আসনটির ৪৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ ভোট কেন্দ্র ঝুঁকিতে।

সূত্রটি জানায়, খুলনা-১ আসনে ১১৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৭৬টি, খুলনা-২ আসনে ১৫৭টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১০৫টি, খুলনা-৩ আসনের ১৫৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৭৭টি, খুলনা-৪ আসনের ১৪৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ৯৫টি এবং খুলনা-৫ আসনের ১৫০টি কেন্দ্রের মধ্যে ৮৩টি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে।

খুলনা মহানগরী এলাকার অধিকতর ঝুঁকি ও কম ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর মধ্যে নূরনগর নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, খুলনা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাজী ফয়েজ উদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নুর জাহান-মাহাবুব প্রাথমিক বিদ্যালয়, ডাক বিভাগীয় বিদ্যালয়, খুলনা কলেজিয়েট স্কুল, মেহমানে আলীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়, কেটিএম হাই স্কুল, খুলনা সরকারি কলেজ, তালিমুল মিল্লাত মাদ্রাসা, ন্যাশনাল গালর্স হাই স্কুল, পল্লী মঙ্গল বালিকা বিদ্যালয়, খুলনা কলেজ, সিটি গালর্স স্কুল, বাঙ্গালী শিশু একাডেমী, লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজ, পশ্চিম বানিয়া খামার বহুমুখি মাদ্রসা, সেন্ট জেভিয়ার্স হাই স্কুল, এরশাদ আলী প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রভাতী রেলওয়ে স্কুল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী স্কুল, আব্দুল গনি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হ্যানে রেলওয়ে স্কুল, বিএক ইউনিয়ন ইনিস্টিটিউশন, এমএম সিটি কলেজ, পিটিআই, মিয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক, পশ্চিম টুটপাড়া সরকারি প্রাথমিক, রূপসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সালাউদ্দিন ইউসুফ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আব্দুল মালেক গালর্স স্কুল, শহীদ তিতুমীর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বঙ্গবাসী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, হাজী শরীয়াতুল্লাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ন্যাশনাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিল হাই স্কুল, খুলনা সরকারি মহিলা কলেজ, মহেশ্বরপাশা নিউ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দেয়ানা মহিলা মাদ্রসা, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, তেলীগাতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মশিয়ালী মাধ্যামিক বিদ্যালয়, গিলেতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, শিরোমনি মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) কমিশনার মোহাম্মাদ জাহিদুল হাসান প্রসঙ্গ নিয়ে বলেন, প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে তিন জন পুলিশ ও ১৩ জন আনসার থাকবেন। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ৪ জন পুলিশ এবং অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে কর্মকর্তাসহ ৫ জন পুলিশ ও ১৩ জন আনসার থাকবেন। 

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশিত কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি মোবাইল পেট্রোলিং রাখছি, স্ট্রাইকিং রিজার্ভ রাখা হয়েছে। আবার যে কেন্দ্রগুলিতে গাড়ি যাবে না এমন ভোট কেন্দ্রগুলোতে আমরা মোবাইল পেট্রোলিং, স্ট্রাইকিং রিজার্ভ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছি। আর পুলিশের সঙ্গে সেনাবাহিনী, নৌ বাহিনী, কোস্ট গার্ড, বিজিবি নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে। আমরা সকলের সাথেই সমন্বয় রেখে কাজ করছি। আশা করছি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পাবরো।

খুলনা জেলা জেলা প্রশাসক ও ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আসম জামশেদ খোন্দকার বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের মধ্যে প্রায় ৫৫৮টি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা থাকবে। অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রের মধ্যে প্রায় ৩০০টি কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশের বডিতে থাকবে বডি ক্যামেরা। 

যা সরাসরি পুলিশ হেডকোয়ার্টার থেকে মনিটরিং হবে। সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি ১২০০ আর্মি স্টাফ মাঠে থাকবেন। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে তারাও কাজ করবেন। সার্বক্ষণিক সব সিসি ক্যামেরা মনিটরিং করা হবে।

আনসার ও ভিডিপির খুলনা রেঞ্চের উপ মহাপরিচালক নুরুল হাসান ফরিদী ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে বলেছেন, এ বাহিনীর স্বতন্ত্র অবস্থান থাকবে। বুধবার আনসার প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে পৌছে যাবে। প্রতিটি কেন্দ্রে তিনজন অস্ত্রধারী, ৬ জন পুরুষ ও ৪ জন নারী আনসার লাঠি নিয়ে দায়িত্ব পালন করবে। 

সব উপজেলায় ব্যাটালিয়ান আনসার স্টাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ২০জন করে আনসার উপজেলা পর্যায়ে অবস্থান করছে।

ভোরের আকাশ/ র.ই

 

ভোটকেন্দ্রনুরুল হাসান ফরিদী

শেয়ার করুন: