শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বিনা টিকিটে ট্রেনে ভ্রমণ

৫০ বছর পর বিনা টিকিটে ট্রেনভ্রমণের টাকা পরিশোধ

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

প্রায় পাঁচ দশক আগে কিশোর বয়সে টিকিট না কেটেই ট্রেনে যাতায়াত করতেন গাজীপুরের শ্রীপুরের মফিজুল ইসলাম (৬২)। প্রায় ৫০ বছর পর ২০ হাজার টাকা ‘অপরিশোধিত দায়’ শোধ করেছেন তিনি। শ্রীপুরের চন্নাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মফিজুল ইসলাম বর্তমানে একটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত। সম্প্রতি তিনি রেল কর্তৃপক্ষের কাছে ২০ হাজার টাকা জমা দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়মুক্ত হন।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে শ্রীপুর রেলস্টেশনের স্টেশনমাস্টার মো. সাইদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মফিজুল ইসলাম জানান, ১৯৭৬ থেকে ১৯৭৮ সালের দিকে তিনি কাঁঠাল ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সে সময় শ্রীপুর থেকে ঢাকায় ট্রেনের ছাদে করে কাঁঠাল পরিবহন করতেন। ওই সময়ে অনেকবার তিনি টিকিট ছাড়াই ট্রেনে যাতায়াত করেছেন।

তিনি বলেন, টিকিট ছাড়া ২-৩ বছর ট্রেনে যাতায়াত করেছি। অনেকদিন ধরেই মনে হচ্ছিল, রেলের পাওনা ফেরত দেওয়া উচিত। শেষ পর্যন্ত বিবেকের তাড়নায় এই টাকা পরিশোধ করেছি।

স্টেশনমাস্টার মো. সাইদুর রহমান জানান, বাংলাদেশ রেলওয়েতে পুরোনো বকেয়া বা অনিষ্পন্ন ভাড়ার অর্থ পরিশোধের একটি আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে। সেই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই মফিজুল ইসলাম ২০ হাজার টাকা জমা দেন।

তিনি আরও জানান, গত ২৮ মার্চ বিশেষ রশিদের মাধ্যমে ওই অর্থ রেলওয়ে কোষাগারে জমা দেওয়া হয়। একসঙ্গে এত টাকার টিকিট ইস্যুর সুযোগ না থাকায় বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে নিষ্পত্তি করা হয়।

সাইদুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন পর নিজের ভুল স্বীকার করে দায়মুক্ত হওয়ার এমন মানসিকতা বিরল। আমরা টাকা অগ্রণী ব্যাংকের মাধ্যমে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছি।

তিনি আরও জানান, দেশের যেকোনো রেলস্টেশনের মাধ্যমে এ ধরনের পুরোনো পাওনা বা অনিষ্পন্ন ভাড়ার অর্থ পরিশোধ করা সম্ভব।

মফিজুল ইসলামের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে। অনেকেই একে সততা, অনুশোচনা ও নৈতিক দায়বোধের বিরল উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।

ভোরের আকাশ/নি

ট্রেনে ভ্রমণ

শেয়ার করুন: