শিরোনাম
মোংলা বন্দরকে নতুন অর্থনৈতিক হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে: নৌপরিবহনমন্ত্রীসকল ধর্মাবলম্বীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই: ডেপুটি স্পিকারআমরা দেশের সব খুনের বিচার করতে চাই: আইনমন্ত্রীটেকনাফের পাহাড়ে ৩ মরদেহ, উদ্ধারে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহতনতুন ৩টি সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারেররাজধানীতে ২০৩০ সালের মধ্যে দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা৭ নভেম্বর: বাংলাদেশের নিজের পথ খুঁজে নেওয়ার দিনরিজার্ভ কমছে, বাড়ছে ডলারের দামমোংলা বন্দরকে নতুন অর্থনৈতিক হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে: নৌপরিবহনমন্ত্রীসকল ধর্মাবলম্বীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই: ডেপুটি স্পিকারআমরা দেশের সব খুনের বিচার করতে চাই: আইনমন্ত্রীটেকনাফের পাহাড়ে ৩ মরদেহ, উদ্ধারে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহতনতুন ৩টি সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারেররাজধানীতে ২০৩০ সালের মধ্যে দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা৭ নভেম্বর: বাংলাদেশের নিজের পথ খুঁজে নেওয়ার দিনরিজার্ভ কমছে, বাড়ছে ডলারের দাম

এবার খুলনায় রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে কালি, নিন্দা ও ক্ষোভ

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৬ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৫০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
এবার খুলনায় রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে কালি, নিন্দা ও ক্ষোভ
এবার খুলনায় রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে কালি, নিন্দা ও ক্ষোভ

খুলনা মহানগরীর শিববাড়ী মোড়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি গ্রাফিতির (দেয়ালচিত্র) মুখমণ্ডলে কালো কালি লেপে বিকৃত করেছে দুর্বৃত্তরা। একই সাথে সেখানে রবীন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতার অভিযোগ তুলে অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সংস্কৃতিবিরোধী বিতর্কিত পোস্টার সাঁটানো হয়েছে। এই ঘটনায় স্থানীয় সাংস্কৃতিক কর্মী, শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকদের মধ্যে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খুলনায় আগমন উপলক্ষে খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) উদ্যোগে রেলস্টেশনের দেয়ালে জুলাই অভ্যুত্থান, সুন্দরবন, ষাটগম্বুজ মসজিদ, পাটশিল্পের গ্রাফিতির সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলামসহ খুলনা অঞ্চলের শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অবদান রাখা গুণীজনদের প্রতিকৃতি আঁকা হয়। দৃষ্টিনন্দন এসব গ্রাফিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতিবাচক আলোচনা চলছিল। এর মধ্যে কালি দেয়ার ঘটনায় নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় লোকজন।

ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে, পুরাতন যশোর রোডের পাশে দেয়ালে ফকির লালন সাঁই, চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, মাইকেল মধূসুদন দত্তের প্রতিকৃতি ছিল। এর মধ্যে শুধু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিতে কালি দেওয়া হয়েছে। এর পাশে দুটি লিফলেট লাগিয়ে দিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা’ শিরোনামে ওই পোস্টারে বিভিন্ন উক্তির সঙ্গে লেখা ছিল ‘তিতুমীরের বাংলায়, মুসলিম ও পূর্ব বাংলা বিদ্বেষী রঠার ঠাঁই নাই/ভারত বন্দনার ঠাঁই নাই’।

শুক্রবার সড়কের বিপরীত পাশের সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। এজন্য কারা, কখন এটি করেছে জানা যায়নি।

খুলনা সদর থানার ওসি লোকমান হোসেন বলেন, ‘বিকেলে বিষয়টি জানতে পেরে খোঁজখবর নেওয়া শুরু করি। এখনও বলার মতো কোনো তথ্য পাইনি।’

প্রতিকৃতিতে কালি দেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেন, ‘এ অঞ্চলের ইতিহাস-ঐতিহ্যের সঙ্গে খুলনায় বেড়াতে আসা মানুষকে পরিচিত করাতেই গুরুত্বপূর্ণ দেয়ালগুলোতে গ্রাফিতি ও প্রতিকৃতিগুলো আঁকা হয়েছে। এগুলো আমাদের শিশু-কিশোরদের মুক্তচিন্তার বিকাশ ঘটাবে। কালি দিয়ে তারা তাদের সংকীর্ণ মনন ও অসুস্থতার পরিচয় দিয়েছে।’

আরও পড়ুন

জামায়াতে ইসলামীর ইসলাম আমাদের ইসলাম নয় : হেফাজত আমির

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক ফোরাম খুলনার আহ্বায়ক কাজল ইসলাম বলেন, ‘ইদানীং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কর্মকে রাজনৈতিক দৃষ্টিতে দেখার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তাঁর কাব্য ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কেউ নেই। তাঁর সাহিত্য ও দর্শন প্রজন্মের পর প্রজন্মকে মুক্তচিন্তা, অসাম্প্রদায়িকতা ও মানবিক মর্যাদার শিক্ষা দিয়ে আসছে। কিছু তরুণ-যুবককে ভুল বুঝিয়ে নোংরামিগুলো করা হচ্ছে। এর বিরুদ্ধে সবপক্ষের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’

এর আগে ১০ অক্টোবর ঢাকায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতির মুখমণ্ডলে কালি দেয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াশসহ চারজনকে আটক করে পুলিশ।

ভোরের আকাশ/আ.র

শেয়ার করুন: