শিরোনাম
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতেই হবে, বিকল্প নেই: সালাহউদ্দিন১ সপ্তাহের মধ‍্যে গার্মেন্টস শিল্পে মজুরি বোর্ড: শ্রমমন্ত্রী‘মন খারাপ করার অধিকারও আপনার নেই, বললে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাবে’ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপি অসতর্কভাবে শব্দচয়ন করেছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীউন্নত দেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীরঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন শহর করতে চাই: প্রধানমন্ত্রীনিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদারে গুরুত্বারোপ খাদ্যমন্ত্রীরঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিততত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতেই হবে, বিকল্প নেই: সালাহউদ্দিন১ সপ্তাহের মধ‍্যে গার্মেন্টস শিল্পে মজুরি বোর্ড: শ্রমমন্ত্রী‘মন খারাপ করার অধিকারও আপনার নেই, বললে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাবে’ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপি অসতর্কভাবে শব্দচয়ন করেছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীউন্নত দেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীরঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন শহর করতে চাই: প্রধানমন্ত্রীনিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদারে গুরুত্বারোপ খাদ্যমন্ত্রীরঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত

চিতলমারীতে স্কুলে রহস্যময় রোগে আক্রান্ত শিশুরা!

চিতলমারী (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২০ নভেম্বর ২০২৫, ১২:০৪ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

চিতলমারী উপজেলার কলিগাতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদানকালে শিশুরা হঠাৎ খিঁচুনি ওঠে অসুস্থ হয়ে পড়ছে। ওই বিদ্যালয়ের পাঠদানের সময় শ্রেণিকক্ষেই চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির পাঁচ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে।

অসুস্থ শিক্ষার্থীরা- সালিমা আক্তার, ছাব্বির রহমান, মুন্নি আক্তার, ফাতেমা আক্তার ও আয়শা আক্তার। এদের মধ্যে শিক্ষার্থী সালিমা ও ছাব্বির ১৬ নভেম্বর একইভাবে অসুস্থ হলে শিক্ষক ও অভিভাবকরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসের উদ্যোগে শিক্ষক ও অভিভাবকগণ প্রথম দিন দুই শিক্ষার্থীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে স্বাস্থ্য সেবা দেয়। কিন্তু পরদিন সেই দুই শিক্ষার্থীসহ আরো তিনজন অসুস্থ হয়। তাই অভিভাবকেরা এই রোগকে ‘‘জীন-পরীর আছর’’ বলে আখ্যা দিয়ে স্থানীয় কবিরাজ কিংবা হুজুরের ঝাড়ফুকের প্রতি বেশি ভরসা রাখছেন।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সরেজমিনে বিদ্যালয় গেলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, অসুস্থ শিক্ষার্থীদের প্রত্যেকের বুকে ব্যথা ওঠে এবং নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়। তাদের কাঁধ ও মুখমণ্ডল বাঁকা হয়ে যায়।

সালিমার মা হামিদা বেগম জানান, রবিবার তাঁর মেয়েকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। চিকিৎসক ফিলমেট ট্যাবলেট দিয়ে সালিমাকে বাড়িতে বিশ্রাম নিতে বলেন। সোমবার সালিমা আবার অসুস্থ হয়।

৫ম শ্রেণির অসুস্থ শিক্ষার্থী সালিমার মা হামিদা বেগম জানান, গত রবিবার তার মেয়েকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছিল। সেখানে দুই ধরনের ট্যাবলেট দিয়ে সালিমাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। সোমবার সালিমা স্কুলে গিয়ে একই রোগে পুনরায় আক্রান্ত হয়। এই রোগ সারানো কোনো ডাক্তারের কাজ নয়। এটা জীন-পরীর আশ্রয়। তাই কবিরাজ বা হুজুরই একমাত্র ভরসা। তবে শিক্ষার্থী সালিমার মা এবং চাচির (সালমা বেগম) কাছে সালিমা বলেছে, রবিবার স্কুলের টয়লেটের পাশে বসে কেউ একজন তাকে কিছু খাবার দেয়। সে সেই খাবার খাওয়ার পরক্ষণেই চোখ-মুখ অন্ধকার হয়ে আসে। এরপর সে আর কিছু জানে না।

সালিমার চাচি সালমা বেগম (হুমায়ুন খলিফার স্ত্রী ), শিক্ষার্থীদের রক্ষার জন্য সরকারের উচ্চ পর্যায়ের চিকিৎসকদের সাহায্য চান।

চিতলমারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা অচ্যুতানন্দ দাস বলেন, রবিবার দুজন অসুস্থ হলে শিক্ষকরা তাদের হাসপাতালে নেন। সোমবার আগের সেই দুই শিক্ষার্থীসহ পাঁচজন অসুস্থ হয়।

এ সব বিষয় বুধবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাজ্জাদ হোসেনে সাথে কথা হলে, তিনি বলেন, আমি হাসপাতালে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাসেবা দিয়ে সুস্থ করে শিক্ষার্থীদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছি।

ভোরের আকাশ/মো.আ.

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়চিতলমারীশিশু

শেয়ার করুন: