গণতন্ত্রের প্রতিটি অধ্যায়ে খালেদা জিয়ার নাম থাকবে: মাজেদ বাবু

ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রাথমিক মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও উপজেলা বিএনপির আহবায়ক প্রকৌশলী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু বলেছেন, “দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কথা শুনে অনেকেই লিভার, কিডনি ও ফুসফুস দানের ইচ্ছা নিয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ছুটে গেছেন। মানুষের এই ভালোবাসা সম্পূর্ণ নিঃস্বার্থ—এটাই প্রমাণ করে নেত্রী কতটা জনপ্রিয় ও শ্রদ্ধেয়।”
বুধবার (৩ ডিসেম্বর) বাদ জোহর ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা, পৌর বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত কুরআন খতম ও দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন তিনি।
মাজেদ বাবু বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া তৃণমূলের অহংকার এবং সারা দেশের আপসহীন নেত্রী। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর তিনিই বিএনপির নেতৃত্ব শক্ত হাতে ধারণ করেন। তৎকালীন স্বৈরশাসন, গত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদ ও গণতন্ত্র সংকটের সময় তিনি সব অন্যায়-নির্যাতনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছেন। বিনাদোষে বৃদ্ধ বয়সে সাড়ে সাত বছর কারাভোগ করেও তিনি আপস করেননি। তাই দলমত নির্বিশেষে তিনি সবার কাছে শ্রদ্ধার প্রতীক।”
তিনি আরও বলেন, “যতদিন বাংলাদেশের গণতন্ত্রের কথা বলা হবে, ততদিন ইতিহাসে বেগম খালেদা জিয়ার নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। তাঁর আপসহীনতা ও দেশপ্রেমে অনুপ্রাণিত হয়েই সাধারণ মানুষও দেহ অঙ্গ দানের ইচ্ছা নিয়ে হাসপাতালে ছুটে গেছেন।”
মাজেদ বাবু আবেগভরে আরও বলেন, “আমরা বেগম খালেদা জিয়াকে মায়ের মতো শ্রদ্ধা করি। আল্লাহ যেন তাঁকে দ্রুত সুস্থ করে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দেন—এটাই সবার দোয়া।”
দোয়া মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম ভূঁইয়া মনি, যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুর রাজ্জাক ভূঁইয়া হীরা, এ কে এম হারুন অর রশিদ, মো. আহসান পারভেজ, আব্দুল্লাহ আল মামুন খোকন, শরিফ আবেদীন জায়েদী, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মো. সায়েদুল হক, সদস্যসচিব মো. নূরে আলম জিকু, যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান রুবেল, মো. হায়দার আলী প্রমুখ।
দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন ঈশ্বরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি প্রতিষ্ঠান জামিয়া গাফুরিয়া দারুসসুন্নাহ ইসলামপুর মাদরাসার মুহতামিম মাহমুদুল হক আযীযী। মোনাজাতে জামিয়ার শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।
ভোরের আকাশ/এসএইচ