শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

জীবননগরে তাপদাহ: শরবতের দোকানে স্বস্তি খুঁজছে নিম্ন আয়ের মানুষ

জীবননগর উপজেলা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৪ এপ্রিল ২০২৬, ৮:৪৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- ভোরের আকাশ
ছবি- ভোরের আকাশ

চৈত্রের শুরুতেই চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগরে শুরু হয়েছে তীব্র তাপদাহ। টানা তিন দিন ধরে তাপমাত্রা ঊর্ধ্বমুখী থাকায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

বিশেষ করে দুপুরের প্রখর রোদে বাইরে বের হওয়া সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ। জীবিকার তাগিদে রোদের মধ্যেই কাজ করতে গিয়ে তাদের সহ্য করতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি।

তীব্র গরমে সামান্য স্বস্তির আশায় পথচারী ও নিম্ন আয়ের মানুষ ভিড় করছেন রাস্তার মোড়ে মোড়ে গড়ে ওঠা অস্থায়ী শরবতের দোকানগুলোতে। জীবননগরের বিভিন্ন এলাকায় বড় লাল ছাতার নিচে লেবুর শরবত, বেলের শরবত ও ঠান্ডা পানির জমজমাট বিক্রি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

১৫ থেকে ২০ টাকা গ্লাস দরে শরবত কিনে তৃষ্ণা মেটাচ্ছেন মানুষ। এতে সাময়িক স্বস্তি মিললেও গরমের তীব্রতা কমছে না।

স্থানীয় শরবত বিক্রেতা আব্দুল হালিম বলেন,আগে সারাদিনে যে পরিমাণ শরবত বিক্রি হতো, এখন তার কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। তিন দিন ধরে সকাল থেকেই প্রচণ্ড গরম পড়ছে। আগে দিনে ৩০-৪০ গ্লাস বিক্রি হতো, এখন ১৫০ থেকে ২০০ গ্লাসের বেশি বিক্রি হচ্ছে। লেবু ও বেলের শরবতের পাশাপাশি ঠান্ডা পানির চাহিদাও বেড়েছে।

স্থানীয় আবহাওয়া সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা জেলা ও আশপাশের এলাকায় তাপদাহ আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। বৃষ্টিপাত না হলে দ্রুত স্বস্তি ফেরার সম্ভাবনা কম বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ এই তীব্র গরমে অপ্রয়োজনে বাইরে না যাওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান, হালকা খাবার গ্রহণ এবং রোদে কাজের সময় সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছেন।

ভোরের আকাশ/এনউব

নিম্ন আয়ের মানুষ

শেয়ার করুন: