শিরোনাম
৩১৮ কারখানা বন্ধ, কাজে নেই ৭ লাখ শ্রমিক৩ নভেম্বর সোলার এক্সপো উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রীসামিটের এলএনজি বন্ধ থাকবে ৪ দিন, কমতে পারে গ্যাসের চাপমজুরি আন্দোলনে সংঘর্ষ: ২৮ জনকে আটক করে পুলিশ বলছে, ‘আওয়ামী লীগ’বিক্ষোভে বাতিল শ্রমমন্ত্রীর বিদেশ সফর, মন্ত্রীদের ডাকলেন প্রধানমন্ত্রীরাজধানীতে সাত রুটে ফ্র্যাঞ্চাইজি পদ্ধতিতে বাস চলাচল শুরুনতুন কাঠামোয় বেতন পেলেন সরকারি চাকরিজীবীরা৪ দিনের রিমান্ডে তাহসিফের সঙ্গে বারে যাওয়া সেই তরুণী৩১৮ কারখানা বন্ধ, কাজে নেই ৭ লাখ শ্রমিক৩ নভেম্বর সোলার এক্সপো উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রীসামিটের এলএনজি বন্ধ থাকবে ৪ দিন, কমতে পারে গ্যাসের চাপমজুরি আন্দোলনে সংঘর্ষ: ২৮ জনকে আটক করে পুলিশ বলছে, ‘আওয়ামী লীগ’বিক্ষোভে বাতিল শ্রমমন্ত্রীর বিদেশ সফর, মন্ত্রীদের ডাকলেন প্রধানমন্ত্রীরাজধানীতে সাত রুটে ফ্র্যাঞ্চাইজি পদ্ধতিতে বাস চলাচল শুরুনতুন কাঠামোয় বেতন পেলেন সরকারি চাকরিজীবীরা৪ দিনের রিমান্ডে তাহসিফের সঙ্গে বারে যাওয়া সেই তরুণী

আবারও ফালাফল শূন্য কান্দি স্কুল এন্ড কলেজে

৯ শিক্ষকও পাস করাতে পারলেন না একমাত্র ছাত্রকে

পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১ নভেম্বর ২০২৬, ৪:২৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
৯ শিক্ষকও পাস করাতে পারলেন না একমাত্র ছাত্রকে
৯ শিক্ষকও পাস করাতে পারলেন না একমাত্র ছাত্রকে

রংপুরের পীরগাছা উপজেলার কান্দির হাট স্কুল এন্ড কলেজে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া এক মাত্র শিক্ষার্থীও ফেল করেছে। 

কলেজ শাখায় ৯ জন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও একমাত্র শিক্ষার্থী পাস না করার ঘটনায় কলেজটির শিক্ষার পরিবেশ ও পাঠদানের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন অভিভাবক ও সচেতন মহল।

জানা গেছে, এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ওই শিক্ষার্থী এক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে। গত বছর এ প্রতিষ্ঠানে কেউ পাশ করেনি। এ নিয়ে রংপুর জেলা জুড়ে হইচই পড়ে যায়। তৎকালীন অধ্যক্ষ আগামীতে ভালো করার আশ্বাস দিলে ও শিক্ষার্থী শুন্য এ প্রতিষ্ঠান নিয়ে মামলা মোকদ্দমা ও পদ নিয়ে চলে তুঘলকি কান্ড।

কান্দির হাট স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রফিকুল বারী জানান, ২০১২ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও প্রতিষ্ঠানটি এখনো এমপিওভুক্ত হয়নি। বর্তমানে কলেজটিতে নয় জন শিক্ষক রয়েছেন। কিন্তু নিজস্ব পাকা একাডেমি দেখানো হলেও তা বাস্তবে নেই। পুরাতন অবকাঠামো নিয়ে চলছে পাঠদান।

অধ্যক্ষের দাবি, এমপিওভুক্ত না হওয়া এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধার অভাবে কলেজটিতে ভালো মানের শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে আগ্রহী হয় না। ফলে দিন দিন কমেছে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাচ্ছে । এরই ধারাবাহিকতায় এ বছর মানবিক বিভাগ থেকে মাত্র একজন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। কিন্তু ওই শিক্ষার্থীও একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে।

প্রতিষ্ঠার দুই দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও কলেজটির অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিক্ষার্থী সংকটের সমাধান হয়নি। নয়‌ জন শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও একজন পরীক্ষার্থীরও উত্তীর্ণ হতে না পারার ঘটনা স্থানীয় শিক্ষাব্যবস্থায় প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ভোরের আকাশ/রই

শেয়ার করুন: