শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

রাখাইনদের ঐতিহ্যবাহী ‘সাংগ্রেং’ উৎসব শুরু

কক্সবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৯:৩৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

কক্সবাজারে শুরু হয়েছে রাখাইন সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণ উৎসব ‘সাংগ্রেং’। রাখাইন পঞ্জিকা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) শেষ হয়েছে ১৩৮৭ সাল এবং শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) থেকে শুরু হয়েছে নতুন বর্ষ ১৩৮৮। পুরোনো বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে বরণ করতে প্রতিবছরের মতো এবারও সাত দিনব্যাপী এ উৎসব উদযাপন করা হচ্ছে।

সামাজিক প্রথা অনুযায়ী, প্রতি বছরের ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হয় উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। এ সময় রাখাইন সম্প্রদায়ের মানুষজন বৌদ্ধ বিহারগুলোতে বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করেন। এসব আনুষ্ঠানিকতা শেষে নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে শুরু হয় উৎসবের মূল আকর্ষণ তিন দিনব্যাপী জলকেলি।

রাখাইন বুড্ডিস্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মংছেন হ্লা রাখাইন জানান, উৎসব উপলক্ষে সকালে প্রতিটি রাখাইন পল্লী থেকে শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণী ও বয়োজ্যেষ্ঠরা শোভাযাত্রা নিয়ে বৌদ্ধ বিহারে যান। কনিষ্ঠরা মাটির কলস এবং বয়োজ্যেষ্ঠরা কল্পতরু বহন করেন। ধর্মীয় আচার শেষে বিকেলে তরুণ-তরুণীরা বাদ্যযন্ত্র নিয়ে দলবদ্ধভাবে বিভিন্ন প্যান্ডেলে ঘুরে বেড়ান।

তিনি আরও বলেন, “রঙিন কাগজ ও ফুল দিয়ে সাজানো হয় প্রতিটি প্যান্ডেল। মাঝখানে রাখা হয় পানির ড্রামসহ নানা উপকরণ। এক পাশে তরুণীরা, অন্য পাশে তরুণরা অবস্থান নিয়ে নাচ-গানের মধ্য দিয়ে একে অপরকে ‘মঙ্গল জল’ ছিটিয়ে আনন্দে মেতে ওঠেন। তাদের বিশ্বাস, এই মঙ্গলজল পুরোনো বছরের সব গ্লানি ও দুঃখ দূর করে নতুন বছরের শুভ সূচনা করে।”

জানা গেছে, কক্সবাজার শহরের পূর্ব-পশ্চিম মাছ বাজার, ফুলবাগ সড়ক, ক্যাংপাড়া, হাঙরপাড়া, টেকপাড়া, বার্মিজ স্কুল রোড, বৌদ্ধ মন্দির সড়ক ও চাউল বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে। পাশাপাশি জেলার মহেশখালী, টেকনাফ, চকরিয়া, হারবাং, রামু ও চৌফলদণ্ডীসহ অন্তত অর্ধশত প্যান্ডেলে উদযাপিত হচ্ছে এ বর্ষবরণ।

উৎসবকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কক্সবাজার জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) দেবদূত মজুমদার জানান, প্রতিটি প্যান্ডেলে পুলিশ মোতায়েন থাকবে এবং সাদা পোশাকেও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সম্প্রীতির মধ্য দিয়েই উৎসবটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে।

ভোরের আকাশ/এনউব

সাংগ্রেং’ উৎসব শুরু

শেয়ার করুন: