শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মানিকগঞ্জে যুবদল নেতা গ্রেফতার, পরিচয় নিয়ে বিতর্ক

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১ জুন ২০২৫, ৫:০১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
মানিকগঞ্জে যুবদল নেতা গ্রেফতার, পরিচয় নিয়ে বিতর্ক
মানিকগঞ্জে যুবদল নেতা গ্রেফতার, পরিচয় নিয়ে বিতর্ক

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার নালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিন্টু মিয়াকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।  

শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে নালী ইউনিয়নের দিয়াইল গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।  গ্রেফতার মিন্টু দিয়াইল গ্রামের তমেজ আলীর ছেলে।

গ্রেফতারের বিষয়ে মানিকগঞ্জ জেলা ডিবির ওসি আব্দুল হাই তালুকদার বলেন, “২০২৪ সালের ৪ আগস্ট মানিকগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মিন্টু মিয়া হামলায় জড়িত ছিলেন।  এমন একটি ভিডিও ফুটেজে তাকে চিহ্নিত করা হয়।  সেই ভিডিও যাচাই-বাছাই করেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।”

তবে মিন্টুর রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।  পুলিশের দাবি, তিনি আওয়ামী লীগের কর্মী।  অন্যদিকে, স্থানীয় বিএনপি ও যুবদল নেতারা বলছেন, মিন্টু দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং বর্তমানে ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

নালী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো. ফারুক মিয়া বলেন, “মিন্টু আমাদের কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক।  আমার স্বাক্ষরিত কমিটিতেই তার নাম রয়েছে।  তাকে আওয়ামী লীগের কর্মী বানিয়ে গ্রেফতার করা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”

ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আসলাম হোসেন বলেন, “মিন্টু আমাদের দীর্ঘদিনের সহকর্মী।  রাজনৈতিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন তিনি।  হয়তো ব্যক্তিগত কোনো দ্বন্দ্বের জেরেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।”

জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কাজী মোস্তাক হোসেন দীপু বলেন, “যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে, সেটি ১৮ জুলাইয়ের ঘটনা।  অথচ সেটাকে ৪ আগস্ট বলে চালানো হচ্ছে।  আমি নিজে ওই দিনের আন্দোলনে ছিলাম, সেখানে মিন্টুর সম্পৃক্ততা ছিল না।  তাকে মিথ্যা ভিডিও ও মনগড়া অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “এটি একটি পরিকল্পিত অপচেষ্টা।  আমার কর্মীকে আমার বিপক্ষে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হচ্ছে।  আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং মিন্টুর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছি।”

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতারা এখনো কোনো মন্তব্য করেননি।

এদিকে, মিন্টুর গ্রেফতারের ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।  বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা বলছেন, এটি গণতান্ত্রিক রাজনীতির ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার নতুন দৃষ্টান্ত।

ভোরের আকাশ/জাআ

শেয়ার করুন: