শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

জীবননগরে চিকিৎসক সংকট চরমে, স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হাজারো মানুষ

জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৭ এপ্রিল ২০২৬, ৫:২৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় তীব্র চিকিৎসক সংকট ও ওষুধের অপ্রতুলতায় ভেঙে পড়েছে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা। ফলে উপজেলার হাজার হাজার মানুষ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে সরেজমিনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কমিউনিটি ক্লিনিক ও বিভিন্ন উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, রোগীর উপস্থিতি থাকলেও অধিকাংশ কেন্দ্রেই পর্যাপ্ত চিকিৎসক নেই। অনেক ক্ষেত্রে একজন কর্মী দিয়েই চিকিৎসা সেবা, ওষুধ বিতরণসহ কেন্দ্রের সব কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

উপজেলার উথলী উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র, আন্দলবাড়িয়া কমিউনিটি ক্লিনিক,সাহাপুর কমিউনিটি ক্লিনিক ও রায়পুর  কমিউনিটি ক্লিনিকে গিয়ে দেখা যায়, এদের মধ্যে উথলী উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র ও আন্দুলবাড়িয়া কমিউনিটি ক্লিনিকে একজন করে চিকিৎসকই সব দায়িত্ব পালন করছেন। এতে করে রোগীদের কাঙ্ক্ষিত সেবা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।

উথলী উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রের দায়িত্বরত সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ফারজাহান মুক্তা বলেন,এখানে একজন মেডিকেল অফিসার, একজন এসএসসিএমও, একজন ফার্মাসিস্ট ও একজন এমএলএসএস থাকার কথা। কিন্তু আমি একাই চিকিৎসা সেবা দেওয়া থেকে শুরু করে ওষুধ বিতরণ ও কেন্দ্রের অন্যান্য কাজ পরিচালনা করছি। করোনা মহামারীর সময় একজন মেডিকেল অফিসার নিয়োগ দেওয়া হলেও পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। গত ১১ বছর ধরে আমি এখানে কর্মরত আছি ঝাড়ু দেওয়া থেকে শুরু করে সব কাজই একাই করতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসক সংকট ও পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহ না থাকায় স্বাস্থ্যসেবার মান দিন দিন অবনতি হচ্ছে। এতে করে সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে বেসরকারি ক্লিনিক বা দূরের হাসপাতালে যেতে হচ্ছে, যা তাদের জন্য বাড়তি ব্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্টদের দাবি, চিকিৎসক সংকট নিরসনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বারবার অবহিত করা হয়েছে। তবে এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

এ অবস্থায় দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগ ও পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা, যাতে করে সাধারণ মানুষ ন্যূনতম স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারেন।

ভোরের আকাশ/এনউব

চিকিৎসক সংকট

শেয়ার করুন: