শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

শ্রীপুরে চলন্ত ট্রেনে আগুন, বাঁচলো হাজার যাত্রীর প্রাণ

শফিকুল ইসলাম, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৪ এপ্রিল ২০২৫, ৪:০৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
শ্রীপুরে চলন্ত ট্রেনে আগুন, বাঁচলো হাজার যাত্রীর প্রাণ
শ্রীপুরে চলন্ত ট্রেনে আগুন, বাঁচলো হাজার যাত্রীর প্রাণ

গাজীপুরের শ্রীপুরে মোহনগঞ্জ গামী যাত্রীবাহী ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছ। আজ সকাল ১১টা ৫ মিনিটে ঢাকা ময়মনসিংহ রেল সড়কের সাতখামাইর স্টেসনের কাছে এ ঘটনা ঘটে। ট্রেনের পাওয়ার কারে অগ্নিকান্ডের সৃষ্টি হয়। ওই বগিতে থাকা যাত্রী ও ছাদে থাকা যাত্রীরা আগুন আতংকে ডাক চিৎকার শুরু করে। যাত্রীদের ডাক চিৎকার শুনে ট্রেনের চালক বিষয়টি জানতে পেরে ট্রেনটি থামাতে সক্ষম হন। তবে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

স্থানীয়রা আগুন নেভাতে চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দু'টি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্তনে আনে। দুপুর সাড়ে ১২টায় রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সড়কে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। উদ্ধার করা হয়নি ট্রেনটি।

ট্রেনের যাত্রী স্থানীয় জনতা ও ট্রেনের একাধিক সূত্রে জানা যায়, সকাল এগারোটার একটু আগে মোহনগঞ্জ গামী মহুয়া কমিউটার ট্রেনটি শ্রীপুর স্টেশন ছাড়ে। কিছুদূর যেতেই ট্রেনের পাওয়ার কারে ধূঁয়া দেখতে পায় যাত্রীরা। তাৎক্ষনিক ট্রেনে আগুন ধরে যায়। পাওয়ার কারে থাকা দশ-বারো জন যাত্রী আগুন আতংকে বাঁচাও বাঁচাও চিৎকার করতে থাকে। 

এ সময় ছাদে থাকা যাত্রীরা চিৎকার করে চালকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। পরে চালক ট্রেনটির গতি নিয়ন্তন করে সাতখামাইর স্টেশনের প্রবেশ মুখে থামাতে সক্ষম হয়। আতংকিত যাত্রীরা প্রাণ ভয়ে লাফিয়ে পড়ে। তবে কোন হতাহোতের ঘটনা ঘটেনি।

পাওয়ার কারে থাকা যাত্রী আলিমউদ্দিন বলেন, পাওয়ার তারে দশ বারোজন যাত্রী ছিলাম। হঠাৎ ধূয়ার সৃষ্টি হয়। পর মহুর্তেই আগুন ধরে যায়। আমরা জীবন বাোচাতে চিৎকার করতে থাকি তখন কেউ শুনতে পাযনি। আগুন বিকট হতে থাকলে অন্য যাত্রীরা দেখে চালককে জানায়। পরে ট্রেন থামলে প্রাণে বাঁচি।

গফরগাঁওয়ের যাত্রী রেশমা জানান, ট্রেনে বাড়ি যাচ্ছিলাম। ট্রেনে আগুন দেখে চিৎকার করতে থাকি। ট্রেন থামলে নিরাপদে নামতে পারি।

গাড়ির টিটি শহিদুল ইসলাম জানান, আমি অন্য বগিতে ছিলাম। পেছনের বগিতে ধূঁয়া দেখে চালকের সাথে যোগাযোগ করি। পরে ট্রেন থামানো হয়। স্থানীয়দের সাথে নিয়ে পানি বালু দিয়ে আগুন নেভাতে চেষ্টা করি।

ট্রেনের লোকোমাষ্টার-১ লুৎফর রহমান জানান, ছয় বগির পেছনে পাওয়ার কারে আগুন লাগে। ট্রেন ছাদে থাকা যাত্রীরা আমাকে চিৎকার করে জানায় ট্রেনে আগুন লেগেছে। পেছনে তাকিয়ে প্রচন্ড ধূয়া দেখতে পাই। তাৎক্ষনিক ট্রেনটি সাতখামাইর স্টেশনে প্রবেশ করার সময় বেলা ১১টা ৫ মিনিটের সময় ট্রেনটি থামাতে সক্ষম হই।

ট্রেনের পরিচালক মো. শাহাদাত হোসেন জানান, আগুন লাগার বিষয়টি জানা মাত্রই চালক ট্রেন থামায়। আমরা প্রথমে পাওয়ার কারটিকে ট্রেন থেকে আলাদা করি। এতে আগুন অন্য বগিতে ছড়াতে পারেনি। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রন করে। কেউ হতাহত হয়নি।

ফায়ার সার্ভিস গাজীপুরের উপ সহকারী পরিচালক মো. মামুন জানান, এগারোটা এগারো মিনিটে খবর পাই। দ্রুত সময় দু'টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌছে আগুন নিয়ন্তনে আনে। কোন হতাহত হয়নি। আগুনে পুরো টাওয়ার কার পুড়ে গেছে।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

শেয়ার করুন: