শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

রিকশার হ্যান্ডেলে এক অদম্য নারীর সংগ্রাম

বরিশাল প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:৩০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ভোরের আকাশ
ভোরের আকাশ

তিনটি পিতৃহীন কন্যা সন্তানকে আগলে রাখতে রিকশার হ্যান্ডেল চেপে ধরেছেন হেলেনা বেগম। ভিক্ষা কিংবা অন্যের অনুকম্পা নয়, রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে সৎ পরিশ্রমে সংসারের চাকা সচল রেখেছেন এই অদম্য নারী। তাঁর এই সংগ্রাম ও কষ্টের খবর পৌঁছায় বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. ফরিদা সুলতানার কাছে। খবর পেয়েই অসহায় হেলেনার পাশে মানবিক সহায়তা নিয়ে এগিয়ে এসেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) হেলেনা বেগমকে নিজ কার্যালয়ে ডেকে নেন ইউএনও ফরিদা সুলতানা। বর্ষা ও প্রতিকূল আবহাওয়ায় রিকশা চালাতে যাতে সুবিধা হয়, সেজন্য তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় একটি রেইনকোট। এর পাশাপাশি জরুরি যোগাযোগ ও দৈনন্দিন সহায়তার জন্য একটি বাটন মোবাইল ফোন এবং কিছু উন্নতমানের শুকনো খাবার উপহার দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন

কেসিসি’র ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেট সংক্রান্ত বিশেষ সভা

সংশ্লিষ্টদের মতে, চরম অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে দিন পার করা হেলেনার জন্য এই রেইনকোটটি কেবল উপহার নয়, বরং প্রতিকূল আবহাওয়ায় জীবিকা নির্বাহের একটি বড় সুরক্ষা। মোবাইল ফোন ও খাদ্যসামগ্রীও তাঁর পরিবারে এনে দেবে তাৎক্ষণিক স্বস্তি।

প্রশাসনের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার এমন স্পর্শকাতর ও মানবিক পদক্ষেপে মুগ্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা জানান, ফরিদা সুলতানার এই উদ্যোগ সমাজে বিত্তবান ও দায়িত্বশীলদের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে অনুপ্রাণিত করবে। প্রান্তিক মানুষের কঠিন জীবনসংগ্রাম সহজ করতে প্রশাসন ও সমাজের সচ্ছল শ্রেণির এমন অংশগ্রহণ অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা নগরবাসীর।

ভোরের আকাশ/ এনউব

নারীর সংগ্রাম

শেয়ার করুন: