শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

টানা চার দিন খোলা থাকার পর বন্ধ কাপ্তাই বাঁধের জলকপাট

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০২৬, ১:০৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

টানা চার দিন ১১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট খোলা রাখার পর রাঙামাটির কাপ্তাই বাঁধের স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট বুধবার (২২ জুলাই) রাত ১১টা থেকে বন্ধ করেছে কর্তৃপক্ষ। কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা নিরাপদ সীমায় নেমে আসায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর বেড়ে গেলে উজানে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এ কারণে গত শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল ১১টা ২০ মিনিটে বাঁধের ১৬টি জলকপাট ৬ ইঞ্চি করে খুলে প্রতি সেকেন্ডে ৯ হাজার কিউসেক পানি ছাড়া শুরু হয়।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় বর্তমানে হ্রদের পানির উচ্চতা নিরাপদ পর্যায়ে নেমে এসেছে। বুধবার সকাল ৯টায় হ্রদের পানির উচ্চতা ছিল ১০৩ দশমিক ৩১ ফুট এমএসএল (মিন সি লেভেল)।

১০৯ ফুট এমএসএল ধারণক্ষম কাপ্তাই বাঁধের বিপৎসীমা ধরা হয় ১০৮ দশমিক ৫০ ফুট এমএসএল। বর্তমানে পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট চালু রয়েছে। এসব ইউনিটের মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে ৩২ হাজার কিউসেক পানি অপসারণ করা হচ্ছে এবং ২২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন

আসামে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫০

মাহমুদ হাসান বলেন, কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে। ভবিষ্যতে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পানির স্তর আবার বাড়লে পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কর্ণফুলী নদীর ওপর নির্মিত কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ ১৯৫৬ সালে শুরু হয়ে ১৯৬২ সালে শেষ হয়। বাঁধের সঙ্গে ১৬টি জলকপাটযুক্ত ৭৪৫ ফুট দীর্ঘ স্পিলওয়ে রয়েছে, যার মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে সর্বোচ্চ ৫ লাখ ২৫ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশন করা সম্ভব। বর্তমানে কেন্দ্রটির পাঁচটি ইউনিটের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট।

ভোরের আকাশ/জেআ

কাপ্তাই বাঁধপানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)রাঙামাটিকাপ্তাই হ্রদবন্যা

শেয়ার করুন: