শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নওগাঁয় আলুর ন্যায্য দাম নির্ধারণের দাবিতে কৃষকদের মানববন্ধন

নওগাঁ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৩০ জুলাই ২০২৫, ২:৩৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

নওগাঁয় আলুর ন্যায্য দাম নির্ধারণের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৩০ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নওগাঁ সদর উপজেলা পরিষদের সামনে এই কর্মসূচি পালন করেন স্থানীয় আলু চাষিরা।

নওগাঁ, বগুড়া ও জয়পুরহাট জেলার বিভিন্ন কৃষক ও আলু ব্যবসায়ীদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই মানববন্ধনে কৃষকরা সড়কে আলু ফেলে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা জানান, বর্তমানে বাজারে আলুর দাম উৎপাদন খরচের অর্ধেকেরও কম, যার কারণে প্রতি কেজিতে প্রায় ১৭-১৮ টাকা লোকসান হচ্ছে। অনেক কৃষক ব্যাংক ও এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে আলু চাষ করলেও সঠিক দাম না পাওয়ায় ঋণ শোধ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

চকবাড়িয়া গ্রামের কৃষক আব্দুল জলিল বলেন, “সার ও অন্যান্য খরচ বাড়লেও আলুর দাম বাড়েনি। ধান-চালের মতো আলুরও সরকারিভাবে দাম নির্ধারণ করা উচিত।”

বক্তারপুর গ্রামের কৃষক বুলবুল ইসলাম বলেন, “এক মণ আলু চাষে খরচ হয়েছে প্রায় ১২০০-১৩০০ টাকা। অথচ এখন সেই আলু বিক্রি হচ্ছে ৫০০-৬০০ টাকায়। এতে আমরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছি।”

বালুডাঙ্গার কৃষক সাইফুল আলম জানান, “ঋণ নিয়ে আলু চাষ করেছি। হিমাগারে রাখার খরচও বেশি। প্রতি কেজিতে ২৫-২৬ টাকা খরচ হলেও পাইকারি বাজারে আলু বিক্রি হচ্ছে ১১-১২ টাকায়। এখন ঋণ শোধ নয়, খরচও ওঠানো কঠিন হয়ে গেছে।”

এ বিষয়ে নওগাঁ কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা সোহাগ সরকার জানান, “এ বছর আলুর ফলন ভালো হওয়ায় উৎপাদন বেড়েছে। এ সময়ে অন্যান্য সবজির চাহিদা বেশি থাকায় আলুর চাহিদা কমে গেছে। সরকার ওএমএস বা টিসিবির মাধ্যমে আলু বিক্রির বিষয়ে চিন্তা করছে।”

কৃষকদের দাবি, দ্রুত আলুর ন্যায্য দাম নির্ধারণ করে তাদের পাশে দাঁড়াতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। না হলে তারা আরও বড় ধরনের সমস্যায় পড়বেন।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

নওগাঁমানববন্ধনআলুর ন্যায্য দাম নির্ধারণ

শেয়ার করুন: