শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

পাথরঘাটায় সাবেক মেয়রসহ চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৮ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- ভোরের আকাশ
ছবি- ভোরের আকাশ

বরগুনার পাথরঘাটায় উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্নের পরও বিলের টাকা না পাওয়ার অভিযোগে পৌরসভার সাবেক মেয়রসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন এক ঠিকাদার।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন ভুক্তভোগী ঠিকাদার মো. সেলিম ফরাজি।

মামলার আসামিরা হলেন-পাথরঘাটা পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. আনোয়ার হোসেন আকন, হিসাবরক্ষক মো. বেলায়েত হোসেন, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মুজিবুল হায়দার এবং সাবেক পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন খান। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে অভিযোগ আমলে নিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল তৎকালীন মেয়র আনোয়ার হোসেন আকনের সময়ে ১৪ লাখ ৫৮ হাজার ৬৭৪ টাকার একটি উন্নয়ন প্রকল্পের কার্যাদেশ পান ঠিকাদার সেলিম ফরাজি। পৌরসভার বিশেষ নির্দেশে গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বর কাজটি সম্পূর্ণভাবে শেষ করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়, কাজ শেষ হওয়ার পরও তার প্রাপ্য ৫ লাখ ৭৮ হাজার ৬৭৪ টাকা পরিশোধ করা হয়নি। বরং বিভিন্নভাবে বিল প্রদানে গড়িমসি করা হয় এবং একপর্যায়ে পরস্পর যোগসাজশে অর্থ আত্মসাতের চেষ্টা করা হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পাওনা আদায়ের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়ে তিনি আদালতের আশ্রয় নেন।

ঠিকাদার সেলিম ফরাজি বলেন, নিয়ম অনুযায়ী টেন্ডার নিয়ে কাজ সম্পন্ন করেছি। কিন্তু সাবেক মেয়র ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আমার পাওনা আটকে রেখে আমাকে হয়রানির মধ্যে ফেলেছেন। ন্যায়বিচার ও প্রাপ্য অর্থ ফেরত পেতেই মামলা করতে বাধ্য হয়েছি।

এ বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মুজিবুল হায়দার ফোনে জানান, সেলিম ফরাজির প্রতিষ্ঠান ‘রনী এন্টারপ্রাইজ’ পৌরসভায় একাধিক কাজ করেছে। তবে তার মোট পাওনার পরিমাণ সম্পর্কে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে অবগত নন।

ভোরের আকাশ/আ.র

চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

শেয়ার করুন: