শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

চিতলমারীতে একটি ঘরের জন্য প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে দুই সন্তানের জননী

চিতলমারী (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৭ নভেম্বর ২০২৫, ২:২৪ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

দীর্ঘদিন ধরে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার স্বামী পরিত্যক্তা দুই সন্তানের জননী সেলিনা আক্তার একটি বসতঘরের জন্য প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। স্বামীর সাথে ছাড়াছাড়ির পর তিনি বাপের বাড়িতে এসে উঠেছিলেন। বাপের পরিত্যক্ত ভিটের এক কোনায় বসবাস শুরু করেন। কিন্তু সেই ঘর এখন আর বসবাসের উপযোগী নেই। ঘরটি জরাজীর্ণ, ভেঙে চুরে একাকার হয়ে গেছে।ছোট ছোট বাচ্চা দুটিকে নিয়ে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে চলেছেন। তাকে জরুরিভাবে একটি সরকারী বসতঘর প্রদানে জন্য কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। 

সম্প্রতি সরেজমিন দেখা যায়, চিতলমারী উপজেলা কুরালতলা গ্রামে ছালাম শেখে মেয়ে সেলিনা আক্তারে (৩৭) সাথে রুপসা উপজেলা দুর্জনিমহল গ্রামের রুহুল শেখের ছেলে মাহাবুব শেখের সাথে বিবাহ হয়। কিন্তু কয়েক বছর যেতে না যেতে তাদের ভেতর ছাড়াছাড়ি হয়ে যাই। তার প্রথম সন্তান আপন শেখ (১২) দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়ার পর অর্থের অভাবে এখন স্কুলে যাওয়া বন্ধ। সে সুপারি পাড়ে এবং শাপলা কুড়িয়ে বিক্রি করে। ছোট সন্তান আয়েশা ইসলাম জোহরা (২) সব সময় মায়ের সঙ্গে থাকে। সেলিনা আক্তার দুমুঠো ভাতের অভাবে এই সন্তানকে কোলে নিয়ে এবাড়ি ও বাড়ি কাজ করেন। তবু ঠিক মত একবেলা আহার জোটে না। তবুও রুগ্ন শরীরে ইউএনও অফিসের দিনের পর দিন ছোটেন একটি ঘরের জন্য। তার দুরবস্থার কথা শুনে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তার অমানবিক জীবনের চিত্র দেখতে পায়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ কয়েক ব্যক্তি জানান, সেলিনা আক্তারের মাথা ঠিক নেই-সে মানসিক ভারসাম্যহীন। তাকে কি কোন মানসিক সরকারি চিকিৎসক দেখানো হয়েছে? কীসের ভিত্তিতে তাকে মানসিক রোগী বলা হচ্ছে? এই প্রশ্নের কোনো উত্তর দিতে পারেনি তারা। এমনকি দিনের পর দিন সেলিনার শিশুদের নিয়ে চরম মানবেতর জীবনযাপন করলেও নিন্দুকরা কেউ তাকে মানবিক সাহায্য করেনি বলে জানা যায়।

এলাকাবাসীর পক্ষে প্রতিবেশী আজগার আলী মোল্লার স্ত্রী দোলেনা বেগম বলেন, সেলিনা ভাঙাচোরা ঘরে সারা বছর কষ্ট করেন। জরুরিভাবে ওর একটি বসতঘর দরকার।

এই বিষয় হিজলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী শাহীন বলেন, তিন-চার বছর আগে সেলিনা আক্তারের বসতঘরের জন্য এক বান টিন দেওয়া হয়েছিল। তার জন্য সরকারি বসতঘরের ব্যবস্থা হলে ভালো হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, সরকারিভাবে যতদূর সাহায্য করা দরকার তা আমরা করব।

ভোরের আকাশ/মো.আ.

নারীসাহায্যের আবেদনবাগেরহাট

শেয়ার করুন: