শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নবাবগঞ্জের ইছামতি নদীর কচুরিপানা অপসারণ ও সবজি চাষ কর্মসূচি উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ৬ এপ্রিল ২০২৫, ২:৪১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
নবাবগঞ্জের ইছামতি নদীর কচুরিপানা অপসারণ ও সবজি চাষ কর্মসূচি উদ্বোধন
নবাবগঞ্জের ইছামতি নদীর কচুরিপানা অপসারণ ও সবজি চাষ কর্মসূচি উদ্বোধন

ঢাকার নবাবগঞ্জের ইছামতি নদীর ১০টি পয়েন্টে কচুরিপানা অপসারণ ও সবজি চাষ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ শনিবার সকালে ইছামতি নদীর কচুরিপানা অপসারণ কমিটি, সেভ দ্যা সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরাম ও নৌকাবাইচ ঐতিহ্য রক্ষা জাতীয় কমিটির উদ্যোগে উপজেলার রামনগর ও খানেপুর পয়েন্টে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

এসময় মৃত প্রায় ইছামতি নদীতে বাঁচাতে সোনাবাজু-কাশিয়াখালী বেড়িবাঁধ ও কার্তিকপুরে নদীর মূল অংশে প্রয়োজনীয় স্লুইচগেট স্থাপন ও কচুরিপানা অপসারণের দাবি জানান ইছামতি নদীর কচুরিপানা অপসারণ কমিটির সমন্বয়ক রাশিম মোল্লা।তিনি বলেন, আমরা তিনটি সংগঠনের উদ্যোগে ইছামতি নদীর কচুরিপানা অপসারণের কার্যক্রম শুরু করেছি। পরিষ্কার করব নবাবগঞ্জ উপজেলার কাশিয়াখালি বেরিবাঁধ থেকে বান্দুরা পর্যন্ত এবং দোহার উপজেলার  কার্তিকপুর থেকে বান্দুরা পর্যন্ত ইছামতি নদীর ১০ টি পয়েন্টের কচুরিপানা। তুইতাল, দাউদপুর, বারুয়াখালী, শিকাড়িপাড়া, জয়কৃষ্ণপুর কার্তিকপুর,  বান্দুরা, দেওতলা গোল্লা ইত্যাদি।

তিনি আরও বলেন, আমরা পুরো ইছামতি নদী পরিষ্কার করতে পারবো না,কিন্তু আমরা একটি পথ দেখিয়ে যাচ্ছি। সম্মিলিতভাবে যদি চেষ্টা করি তাহলে কিন্তু অনায়াসেই কচুরিপানার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবো আমরা। আর সেজন্য নদীপাড় ও সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসীকে এগিয়ে আসতে হবে। বিত্তবানদেরকে এ কাজে  সহযোগিতা করার আহ্বান জানাই। মা-বাবা যেমন আমাদেরকে আদর সোহাগ করে বড় করে, নদীও ঠিক তেমনি আমাদেরকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে বড় করে। ইছামতি নদীকে রক্ষা করতে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আমাদেরকে নিজেদের আরো অনেক সচেতন হতে হবে নদীতে ময়লা আবর্জনা ফেলা বন্ধ করতে হবে। ইছামতি নদীর উৎপত্তিস্থল কাশিয়াখালী ও কার্তিকপুর অংশে দ্রুত প্রয়োজনীয় স্লুইসগেট  স্থাপনের দাবি জানান তিনি।

স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আজকে যে তিনটি সংগঠন কচুরিপানা অপসারণের কার্যক্রম শুরু করেছে। তারা অপসারণের একটি পথ দেখিয়েছেন। শুধু তাই নয় কচুরিপানাকে কাজে লাগিয়ে সবজি চাষেরও পথ দেখিয়েছেন তারা।  প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উচিত তাদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়া। আর এটি করা গেলে এর কার্যক্রম আরো বেগবান হবে ।

এসময় আরও বক্তব্য রাখেন নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. হরগোবিন্দ সরকার অনুপ, বারুয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন খান, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সমাজকর্মী মোহাম্মদ আলম, দৈনিক আগামীর সময়ের সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান, নবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি জহিরুল ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক আজহারুল হক, খালিদ হোসেন সুমন, নয়নশ্রী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক মো. শাহজাহান মোল্লা, একুশে ব্লাড ডোনার্স ক্লাবের সভাপতি ও জামায়াত নেতা মোস্তাক আহমেদ, নৌকা বাইচ ঐতিহ্য রক্ষা জাতীয় কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক দুলাল দেওয়ান, জয়পাড়া কলেজের অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস, খানেপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ও জামায়েত নেতা মো. আমজাদ হোসেন, খানেপুর ইসলামিয়া ইবতেদায়ী মাদ্রাসা কমিটির সভাপতি আফসার উদ্দিন, সুহেল রানা, সমাজকর্মী মামুন হোসেন, রফিক মেম্বারসহ আরো অনেকে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ ড. আবুল হোসেন খন্দকার। খানেপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে সংক্ষিপ্ত সভা শেষে স্কুল ঘাটে প্রধান অতিথি  কচুরিপানা অপসারণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন। সাংবাদিক রাশিম মোল্লার নেতৃত্বে কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবক দিনব্যপী কচুরিপানা অপসারণ করেন। ইছামতি নদী থেকে কচুরিপানা সমস্যা সমাধানে ব্যপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিদিন ৪ জন শ্রমিক নদীর কচুরিপানা অপসারণ করবে। পর্যায়ক্রমে নদীর ১০ পয়েন্টে কচুরিপানা অপসারণ এবং  নদীর পাড়ে স্তুপিকৃত করে সবজি চাষ করা হবে।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

শেয়ার করুন: