শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভিজিডির চাল বিতরণে চাঁদা নেয়ার অভিযোগ ইউপি সচিব সম্রাটের বিরুদ্ধে

ভোলা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৬ নভেম্বর ২০২৫, ৭:৩১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি-ভোরের আকাশ
ছবি-ভোরের আকাশ

ভোলা জেলার তজুমদ্দিন উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নে বিজিডি কর্মসূচির চাল উত্তোলনে ৪৫০ টাকা করে অতিরিক্ত চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মেজবা উদ্দিন সম্রাটের বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সকাল ১০টায় গরীব মানুষের  কাছ থেকে অতিরিক্ত চাঁদা দাবি করা হলে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী প্রতিবাদে ফেটে পড়ে এবং স্লোগান তোলে—
“শম্ভুপুরে চাঁদাবাজি চলবে না—চলবে না।”

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সচিব মেজবা উদ্দিন সম্রাট প্রায় ২০ বছর ধরে একই ইউনিয়নে থেকে বিভিন্ন সরকারি সুবিধা দিতে গিয়ে নিয়মিত অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে আসছেন।

তারা জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তজুমদ্দিন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলু দেওয়ানের সহযোগিতা ব্যবহার করে তিনি বহু বছর মানুষের কাছ থেকে অবৈধ চাঁদা নিতেন। পরবর্তীতে ইউনিয়ন পরিষদের রাছের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পরও এই চাঁদাবাজি বন্ধ হয়নি।

জানা যায়, সচিবকে একাধিকবার বদলি করা হয়েছে। কিন্তু তিনি প্রতি বার শম্ভুপুরে ফের ফিরে আসেন এবং রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব খাটিয়ে অব্যাহতভাবে চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছেন।

মানুষের কাছ থেকে সরাসরি টাকা সংগ্রহ করেন ইউনিয়ন পরিষদের চৌকিদার জামাল চৌকিদার। তিনি বলেন, “সচিবের নির্দেশে আমি টাকা নিই; এখানে আমার কোনো দোষ নেই।”

অন্যদিকে সচিব মেজবা উদ্দিন সম্রাট দাবি করেন, “মালামাল দেখাশোনা করেন চৌকিদাররা—তাদের অতিরিক্ত খরচ হয়, তাই উপকারভোগীদের কাছ থেকে কিছু টাকা নিতে হয়।”

কিন্তু উপস্থিত স্থানীয়রা এই বক্তব্যকে মিথ্যা ও অগ্রহণযোগ্য বলে আখ্যায়িত করেন। তারা বলেন, “চৌকিদারেরা সরকারি জনবল—তাদের বেতন সরকার দেয়। সরকারি মালামাল দিতে গিয়ে জনগণের কাছ থেকে বাড়তি টাকা নেওয়ার কোনো নিয়ম নেই।”

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক উপকারভোগী বলেন, “উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতার প্রভাব এবং বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদের নেতাদের ছত্রছায়ায় সচিব সম্রাট লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদাবাজি করছে।”

এলাকাবাসী অনতিবিলম্বে স্বচ্ছ তদন্ত, জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা এবং উপকারভোগীদের হয়রানি বন্ধের জোর দাবি জানিয়েছে।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

ভোলাইউপি সচিব সম্রাট

শেয়ার করুন: