শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মান্দায় পল্লী চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণের দাবি সংসদে

নওগাঁ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪:৫৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

নওগাঁ জেলায় উন্নত ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পল্লী চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে মহান জাতীয় সংসদে। 

বুধবার (৮ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে মান্দা উপজেলায় একটি স্থায়ী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের জোরালো দাবি জানিয়েছেন ৪৯ নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ ইকরামুল বারী টিপু।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে নওগাঁ জেলায় প্রায় ৪ হাজার ৫০০ জন এবং শুধুমাত্র মান্দা উপজেলাতেই প্রায় ৪৫০ থেকে ৫০০ জন পল্লী চিকিৎসক রয়েছেন। যাদের একটি বড় অংশই কোনো ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ ছাড়াই চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে ডাঃ ইকরামুল বারী টিপু বলেন,“স্থানীয় পর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে পল্লী চিকিৎসকদের ভূমিকা অপরিসীম। তবে যথাযথ প্রশিক্ষণের অভাবে সেবার মান ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। পল্লী চিকিৎসকদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা গেলে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী আরও নিরাপদ ও কার্যকর স্বাস্থ্যসেবা পাবে।”

এ সময় তিনি মান্দায় দ্রুত একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের দাবি তুললে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেন এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন।

সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপিত হলে গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবার গুণগত মানোন্নয়নে তা মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। 

এর ফলে সাধারণ মানুষ হাতুড়ে চিকিৎসার ঝুঁকি থেকে মুক্তি পাবে এবং প্রাথমিক পর্যায়ে সঠিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত হবে।

ভোরের আকাশ/ র.ই


 

চিকিৎসকডাঃ ইকরামুল বারী টিপু

শেয়ার করুন: