শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

রেলের জায়গায় গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

ময়মনসিংহ ব্যুরো

প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৫, ৫:৩৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
রেলের জায়গায় গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
রেলের জায়গায় গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

ময়মনসিংহে রেলওয়ের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। অভিযানে দুই শতাধিক দোকানসহ বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়।

বুধবার (১৪ মে) বেলা ১১টা থেকে দুপুর পর্যন্ত সেনাবাহিনীকে নিয়ে নগরীর সানকিপাড়া বাজারের রেলওয়ের দুই পাশে এ অভিযান চলে। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও রেলওয়ের বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা উপ-সচিব নাসির উদ্দিন মাহমুদের নেতৃত্বে উচ্ছেদ কার্যক্রম চালানো হয়।

এ অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছে নগরবাসী। তবে দখলকারীরা বলছেন, উচ্ছেদ অভিযান হবে তা জানলেও গুরুত্ব না দেওয়ায় মালামাল সরাননি। যার কারণে সবকিছুই গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। দোকান ও মালামাল হারানোয় তারা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

রেল বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, রেলওয়ের জায়গা রক্ষা করা এবং এখানে ট্রেন চলাচল ঝুকিমুক্ত করার জন্যই এমন অভিযান চালানো হয়ে। রেলের জায়গায় গড়ে তোলা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর তারা সিদ্ধান্ত নিবেন সে জায়গা ব্যবসায়ীদের পূনরায় লিজ দেয়া যায় কিনা। নগরীর অন্যান্য রেলওয়ের জায়গাতেও এমন অভিযান চালানো হবে।

স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল আজিজ বলেন, প্রায় ৫০ বছরের পুরনো সানকিপাড়া রেলক্রসিং বাজার। এখানে শতশত ব্যবসায়ী ব্যবসা করেন। কোন কিছুই দখল করা ঠিক না। সরকারি জায়গা হলে তা একসময় উচ্ছেদ হবেই। জনস্বার্থে এমন অভিযানকে সাধুবাদ জানাই।

তবে ভাঙারি ব্যবসায়ী মামুন মিয়া বলেন, প্রায় ৩০ বছর যাবতএখানে ব্যবসা করে সংসার চালাচ্ছি। নিয়মিত খাজনাও দিয়ে আসছি। কিন্তু আজকে জানতে পারলাম তা রেলের জায়গা। জায়গাটি নিজের মনে করে মালামাল সরাইনি। কিন্তু ভেকু দিয়ে গুড়িয়ে দিয়েছে।

অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া রেলওয়ের বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা উপ-সচিব নাসির উদ্দিন মাহমুদ বলেন, রেলের জায়গা একটি প্রভাবশালী মহল যুগযুগ ধরে তাদের দখলে নিয়ে সাধারণ ব্যবসায়ীদের কাছে লিজ দিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়েছে। আমি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ নিয়ে অভিযান চালিয়েছি। আমরা প্রথমে জায়গাটি খালি করে পরে সিদ্ধান্ত নিব সেটি ব্যবসায়ীদের কাছে লিজ দেয়া যায় কিনা। অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উচ্ছেদ অভিযানে সেনাবাহিনী, থানাপুলিশ, আনসার ও রেলওয়ে থানা পুলিশ সহযোগিতা করেন। 

ভোরের আকাশ/এসআই

শেয়ার করুন: