শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মাগুরা

একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা

মাগুরা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন উপলক্ষে শুক্রবার সকালে মাগুরা জেলা শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে চিত্রাঙ্কন ও কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে শহরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২০০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

মহান একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালির ভাষা আন্দোলনের গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতিবাহী দিন। ১৯৫২ সালের এই দিনে বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষায় আত্মোৎসর্গকারী ভাষা শহীদদের স্মরণে দিনটি পালিত হয়। বর্তমানে দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত।

এ উপলক্ষে আয়োজিত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা একুশের চেতনা, শহীদ মিনার ও ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসকে কেন্দ্র করে চিত্রাঙ্কন ও আবৃত্তি পরিবেশন করে। বিষয়বস্তুর উপস্থাপন, সৃজনশীলতা ও রঙের ব্যবহারে শিক্ষার্থীদের মেধার প্রকাশ লক্ষ্য করা যায়।

প্রতিযোগীরা জানায়, এ ধরনের আয়োজনে অংশ নিতে পেরে তারা ভীষণ আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত। তাদের মতে, নিয়মিত এমন প্রতিযোগিতার আয়োজন হলে সহশিক্ষা কার্যক্রমে দক্ষতা বাড়বে এবং নিজেদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

জেলা কালচারাল অফিসার পার্থ প্রতিম দাস বলেন, “আজকের এই আয়োজনে চিত্রাঙ্কন ও আবৃত্তি মিলিয়ে প্রায় ২০০ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। আমরা চাই, নিয়মিতভাবে এমন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের মেধা ও মননের বিকাশ ঘটুক।”

আয়োজকদের মতে, নতুন প্রজন্মের মাঝে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও একুশের চেতনা ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের সাংস্কৃতিক উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ভোরের আকাশ/ র.ই

 

চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতাপার্থ প্রতিম দাস

শেয়ার করুন: