শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

জয়পুরহাটে ব্রান্ডিং

সোনালী মুরগী-লতিরাজ-জয়পুরহাটের গর্ব আজ

জয়পুরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২:০৪ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

উত্তরাঞ্চলের শস্য ভাণ্ডার খ্যাত সীমান্তের কোলঘেষা ছোট্ট এ জেলার ‘‘কচুর লতি এবং সোনালী মুরগী আজ এ জেলার ব্রান্ডিং। বলা হয় , সোনালী মুরগী-লতিরাজ-জয়পুরহাটের গর্ব আজ। এই ব্রান্ডিং পণ্য দুটি জেলার কৃষিখাতকে একদিকে যেমন করেছে সম্প্রসারিত তেমনি অন্যদিকে করেছে সমৃদ্ধ।

লোগোর বর্ণনা
জয়পুরহাটের ব্রান্ডিং লোগোটি জেলার সমৃদ্ধ কৃষির নিদর্শক । লোগোতে উপস্থাপিত লতিরাজ কচুর লতি এবং সোনালী মুরগীই হলো জেলার দুটি ব্রান্ড পণ্য।

ট্যাগলাইনের বর্ণনা
এই ট্যাগলাইনের মাধ্যমে জয়পুরহাট জেলার স্বাতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্যমন্ডিত দু;টি কৃষি পণ্যের সামগ্রিক গুরুত্ব ইতিবাচকভাবে প্রকাশ পেয়েছে।

সোনালী মুরগী ও জয়পুরহাট
সোনালী মুরগী, বাংলাদেশের প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের সরকারী হাঁস-মুরগী খামার, জামালগঞ্জ, জয়পুরহাট কর্তৃক উৎপাদিত এবং সম্প্রসারিত এক ধরনের মুরগী। ২০০০ খ্রিস্ট্রাব্দে এ মুরগী উৎপাদন এবং সম্প্রসারণ শুরু হয়। এ মুরগীর ডিম ও মাংস উভয় উদ্দেশ্যেই লালন পালন করা যায়। এ মুরগী দেখতে প্রায় দেশী জাতের মুরগীর মত, আর মাংস সুস্বাদু এবং এর উৎপাদন খরচ ও কম এবং অপেক্ষাকৃত সাধারণ পরিচর্যার লালন-পালন করা যায়। এ মুরগী তাপ সহিষ্ণু এবং এর ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব অনেকটাই কম।

এ জেলায় ৫ হাজারে অধিক সোনালী মুরগীর খামার আছে। এছাড়া বাচ্চা উৎপাদনের জন্য আছে ৩০টি হ্যাচারী। সেখান থেকে প্রতি বছর প্রায় ৪ কোটি বাচ্চা উৎপাদন করা হয়। সোনালী মুরগীর খাদ্য যোগান দেওয়ার জন্য জেলায় রয়েছে ১১টি খাদ্য উৎপাদন ফিড মিল। এসব মিল হতে প্রতি বছর প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার মে:টন রেডি ফিড উৎপাদন হয়।

লতিরাজ ও জয়পুরহাট
কচুর কিছু প্রজাতি ব্যাপক ভাবে চাষাবাদ হয় গ্রীষ্ম মন্ডলীয় ও অব গ্রীষ্ম মন্ডলীয় অঞ্চলে। কথিত আছে হাওয়াই দ্বীপে প্রাচীন পলিনেশিয়ানরা প্রধান খাদ্য হিসাবে চাষ করার জন্য কচু নিয়ে আসেন। ইহা একটি মূল জাতীয় ফসল। জয়পুরহাট জেলায় আজ থেবে প্রায় ২০-২৫ বছর আগে কিছু কৃষক পানি কচু বা লতিরাজ কচুর চাষাবাদ শুরু করেন।

বর্তমানে জেলার সদর, পাঁচবিবি ও আক্কেলপুর উপজেলায় রবি ও খরিপ মৌসুম মিলে প্রায় ৭০০ হেক্টর জমিতে লতিরাজ কচুর চাষ হয়ে থাকে। কচু সুস্বাদু, পুষ্টিকর ও রপ্তানীযোগ্য হওয়ায় খুব সহজে কৃষকের নিকট জনপ্রিয় হয়েছে। বারি পানি কচু-(১) ১৯৮৮ সনে লতিরাজ কচু হিসাবে জাতীয় বীজ বোর্ডের সভায় অনুমোদিত হয়। বারি পানি কচু-১ এর লতি ও রাইজম অত্যন্ত সুস্বাদু ও পুষ্টিকর। লতি কচুতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ‘এ’ ও লৌহ থাকে। তাছাড়া শর্করা, আমিষ ও আঁশ থাকে। দেশের অন্যান্য এলাকায় উৎপাদিত লতির চেয়ে এ জেলার লতির গুনগত মান ভালো এবং বাজারে তুলনামূলকভাবে অনেক বেশী।

ভোরের আকাশ/এসএইচ
 

জয়পুরহাট

শেয়ার করুন: