শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নওগাঁর মান্দায় ‘প্রাথমিক বিশ্ববিদ্যালয়’: শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছেন

নওগাঁ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৯:১২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

নওগাঁর মান্দায় প্রত্যন্ত এলাকার শিশুদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন স্থানীয় এক যুবদল নেতা। উপজেলার কুসুম্বা ইউনিয়নের কুসুম্বা শিলালপাড়া গ্রামে ২০২২ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন ‘কুসুম্বা রোকেয়া-ছাবেদ প্রাথমিক বিশ্ববিদ্যালয়’। নাম ও কার্যক্রমের ভিন্নতার কারণে প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

সরেজমিনে জানা যায়, মান্দা উপজেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আল মামুন এলাকার পিছিয়ে পড়া শিশুদের জন্য এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলেন। বর্তমানে তার এই প্রতিষ্ঠানে শিশু শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মোট ৫০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি রয়েছে। এর মধ্যে নিয়মিত ক্লাস করছে অন্তত ৩০ জন। শিক্ষক হিসেবে পাঠদান করছেন ফারজানা আক্তার মীম, নাসরিন আবরার ও মুক্তি আক্তার।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ ও যুবদল নেতা আল মামুন বলেন, ‘আমাদের এলাকার অনেক শিশু নানা প্রতিকূলতার কারণে স্কুলবিমুখ হয়ে পড়ছিল। শিশুদের জন্য আনন্দদায়ক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। আমরা শুধু পাঠ্যবই নয়, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছি। সবার সহযোগিতা পেলে প্রতিষ্ঠানটিকে একটি মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।’

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গ্রামবাংলার অবহেলিত জনপদে এমন একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন সত্যিই প্রশংসনীয়। তারা মনে করছেন, এই উদ্যোগের ফলে ঝরে পড়া শিশুর সংখ্যা কমার পাশাপাশি এলাকায় শিক্ষার হার বৃদ্ধি পাবে।

উপজেলার সচেতন মহলের মতে, রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে গিয়ে সমাজ সংস্কারে আল মামুনের এই শিক্ষা বিস্তারের উদ্যোগটি অন্যান্যদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

ভোরের আকাশ/এনউব

শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছেন

শেয়ার করুন: