জীবননগরে ২০ দিনেও উদঘাটন হয়নি জাহিদ হাসানের মৃত্যুর রহস্য

জীবননগরে আলোচিত জাহিদ হাসান (২৭) নামে এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যুর ২০ দিনেও উদঘাটন হয়নি প্রকৃত রহস্য। তদন্তে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় ক্ষোভ ও শঙ্কা প্রকাশ করেছে মৃতের পরিবারের সদস্যরা।
গত ১৪ জানুয়ারি দুপুরে মনোহরপুর ইউনিয়নের পিয়ারাতলায় হারু শাহের মাজারসংলগ্ন ঘাসের জমি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত জাহিদ কেডিকে ইউনিয়নের খয়েরহুদা গ্রামের মৃত আশরাফ উদ্দিনের ছেলে। পরিবারের দাবি, এটি স্বাভাবিক মৃত্যু নয়; পূর্ববিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই বিচার না পাওয়ার আতঙ্কে দিন কাটছে স্বজনদের।
জাহিদের বড় ভাই ইনামুল জানান, তিনি বাদী হয়ে জীবননগর থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন। তবে পুলিশের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এখনো হাতে পৌঁছেনি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য ও নিহতের ফুফাতো ভাই আব্বাস অভিযোগ করে বলেন, “কোনো অদৃশ্য প্রভাবের কারণে হয়তো খুনিদের এখনো গ্রেপ্তার করা যাচ্ছে না। আমরা পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের কাছে দ্রুত তদন্তের দাবি জানাই।”
এ বিষয়ে জীবননগর-দামুড়হুদা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আনারুল কবির সাংবাদিকদের জানান, ঘটনাটির পর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা রুজু হয়েছে। মামলাটি তদন্তাধীন। পুলিশের কাজ চলমান আছে।
ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবার দ্রুত তদন্ত শেষ করে জাহিদের মৃত্যুর রহস্য উন্মোচন এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
ভোরের আকাশ/আ.র