ঘোড়াঘাটে ১১০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ নারী আটক

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে ১১০ পিস নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মোছা. মাহমুদা বেগম (৪০) নামের এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার ১ নম্বর বুলাকিপুর ইউনিয়নের দামোদরপুর (শৌলা) গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা এক সহযোগী পালিয়ে যায়।
পুলিশ জানায়, শনিবার দুপুরে ঘোড়াঘাট থানার এসআই মো. আহনাফ তাহমিদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল রানীগঞ্জ বাজার এলাকায় দায়িত্ব পালন করছিল। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে খবর আসে, দামোদরপুর গ্রামের একটি মুদির দোকানের সামনে সড়কে মাদক বিক্রির উদ্দেশ্যে এক নারী ও এক পুরুষ অবস্থান করছেন।
খবর পেয়ে দুপুর ১টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে ওই নারী ও পুরুষ পালানোর চেষ্টা করেন। পরে নারী কনস্টেবল স্মৃতির সহায়তায় মাহমুদা বেগমকে আটক করা হয়। তবে তার সঙ্গে থাকা যুবকটি দৌড়ে পালিয়ে যায়। আটক মাহমুদা বেগম ওই গ্রামের মহসিন আলীর স্ত্রী।
পরে মাহমুদা বেগমের দেহ তল্লাশি করে তার পরনের পায়জামার ভেতরে রাবার দিয়ে বাঁধা অবস্থায় ১১ পাতায় মোট ১১০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। ডিজিটাল স্কেলে মেপে উদ্ধারকৃত ট্যাবলেটের ওজন পাওয়া যায় ৪৪ গ্রাম। পুলিশের দাবি, এসব ট্যাবলেটের আনুমানিক বাজারমূল্য ২২ হাজার টাকা। দুপুর সাড়ে ১টার দিকে স্থানীয় সাক্ষী ইদুর রহমান ও হোসেন আলীর উপস্থিতিতে উদ্ধারকৃত ট্যাবলেটগুলো জব্দ করে পুলিশ।
জিজ্ঞাসাবাদে আটক মাহমুদা বেগম জানান, পালিয়ে যাওয়া যুবকের নাম মো. মনিরুল ইসলাম (২৫)। তিনি একই গ্রামের সেকেন্দার আলীর ছেলে। মাহমুদা বেগমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তারা দুজন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় একসঙ্গে মাদক কেনাবেচা করে আসছিলেন।
ঘোড়াঘাট থানার এসআই আহনাফ তাহমিদ জানান, এ ঘটনায় আটক মাহমুদা বেগম ও পলাতক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। আটক নারীকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ভোরের আকাশ/সু.পা