শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ক্রেতাদের ভিড়ে জমজমাট গাইবান্ধার শপিংমলগুলো

রিফাতুন্নবী রিফাত, গাইবান্ধা

প্রকাশ : ১৬ মার্চ ২০২৬, ১:২৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে গাইবান্ধায় জমে উঠেছে ঈদ কেনাকাটার বাজার। ক্রেতাদের ভিড়ে জমজমাট শপিংমলগুলোয় গভীর রাত পর্যন্ত চলছে কেনাকাটা। ঈদের কেনাকাটায় জেলা শহরের সব বিপণী বিতানের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়  দেখা গেছে। ক্রেতাদের আকর্ষণ করতে শপিং মলগুলোতে আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়েছে।

দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই মার্কেটগুলোতে লোকজনেরও কেনাকাটা বেড়েই চলেছে। পুরুষ ক্রেতার চেয়ে মহিলা ক্রেতার সংখ্যাই বেশী। গাইবান্ধার কয়েকটি উপজেলা নদী বেষ্টিত হওয়ায় চরাঞ্চল ও গ্রামাঞ্চলের ক্রেতারা সকাল থেকে শুরু করে সন্ধ্যায় পর্যন্ত কেনাকাটা করতে দেখা যাচ্ছে। আর সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন শহর ও শহরতলীর ক্রেতারা। প্রতি বছরের ন্যায় এবার ঈদ বাজারে এসেছে বিভিন্ন ধরনের আকর্ষণীয় সব পোশাক।

রবিবার (১৬ মার্চ) জেলা শহরের সালিমার সুপার মার্কেট, ইসলাম প্লাজা, তরফদার ম্যানশন,খাঁন মাঁর্কেট, পৌর সুপার মার্কেট,শাপলা মার্কেট, আব্বাস উদ্দিন টাওয়ার,কাজী টাওয়ারসহ ফুটপাতের দোকানগুলো ঘুরে দেখা যায় দেশীয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের আধুনিক ডিজাইনের সব ধরনের পোশাক রয়েছে।

এবার ভারতীয় কাপড়গুলোকে পেছনে ফেলে বাজার দখল করেছে দেশীয় সুতি কাপড়। দেশি সুতি থ্রি পিসগুলো সবার পছন্দ ও বিক্রির শীর্ষে রয়েছে।সমানতালে বিক্রি হচ্ছে ইন্ডিয়ান গাউন ও কাজ করা লং ফ্রোক। এছাড়া শিশুদের হরেক রকম পোশাকও বিক্রি হচ্ছে বেশী। তবে শিশুদের পোশাকের দাম অনেক বেশী।

এছাড়া পাঞ্জাবি, শার্ট, গেঞ্জি, ফতুয়া, থ্রি-পিস, টুপিস ও শিশুদের জন্য সব ধরনের কাপড় পাওয়া যাচ্ছে দোকান গুলোতে। ক্রেতাদের মধ্যে বেশিরভাগই নারী ও শিশু। ছোট ছোট বাচ্চারা ঈদের আনন্দকে পরিপূর্ণ করার জন্য কার আগে কে সুন্দর পোশাকে নিজেকে উপস্থাপন করবে এ প্রতিযোগিতায় ব্যস্ত।

সদর উপজেলার বল্লমঝাড় থেকে আসা শাকিল মিয়া বলেন,গতবছর যে শার্ট কিনলাম ৪০০ টাকা দিয়ে সে শার্ট এবার ৬০০ টাকা। আর যে প্যান্ট গত বার কিনেছিলাম ৬০০ টাকা দিয়ে সে প্যান্টের দাম ৮০০ টাকা। দেখা যাচ্ছে সব কিছুতেই ২০০-৩০০ টাকা করে দাম বেশি। এবার ক্রমাগত সবকিছুরই দাম বেশি বেশি নিচ্ছে দোকানিরা।

সালিমার সুপার মার্কেটের কাপড় ব্যবসায়ী ইদ্রিস আলী বলেন, ১৫ রমজানের পর থেকে ঈদের কেনাকাটা জমতে শুরু করেছে। তবে, এবছর ড্রেসগুলো দাম তুলনামূলক একটু বেশি পড়ছে। তার পরেও ক্রেতারা তাদের পছন্দ মতো কাপড় ক্রয় করছেন।

গাইবান্ধার পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দীন ভোরের আকাশকে বলেন, 'ঈদের বাজার নির্বিঘ্ন করতে সকল ধরনের পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মার্কেটগুলোর মোড়ে মোড়ে পুলিশ সদস্য রয়েছেন। শহরে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। যেসব এলাকা বেশি স্পর্শকাতর সেসব জায়গায় বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় সিসি ক্যামেরার আওতায় মনিটরিং করা হচ্ছে।'

ভোরের আকাশ/ র.ই

মো. জসিম উদ্দীনশপিংমল

শেয়ার করুন: