শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

৫৬ বছর একই মসজিদে ইমামতি, এলাকাবাসীর ভালোবাসায় ওমরাহ যাত্রা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ৮ আগস্ট ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
৫৬ বছর একই মসজিদে ইমামতি, এলাকাবাসীর ভালোবাসায় ওমরাহ যাত্রা
৫৬ বছর একই মসজিদে ইমামতি, এলাকাবাসীর ভালোবাসায় ওমরাহ যাত্রা

দীর্ঘ ৫৬ বছর ধরে একটানা একই মসজিদে ইমামতি করে আসা হাফেজ আব্দুল কদ্দুসকে ভালোবাসা ও সম্মানের নিদর্শন হিসেবে পবিত্র ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরবে পাঠিয়েছেন ময়মনসিংহের সদর উপজেলার দারিয়াকান্দা গ্রামের এলাকাবাসী।

বুধবার গ্রামবাসী, আত্মীয়-স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের উপস্থিতিতে আবেগঘন পরিবেশে তাকে বিদায় জানানো হয়। এ সময় তার সুস্থতা, নিরাপদ সফর এবং ওমরাহ কবুল হওয়ার জন্য দোয়া করা হয়।

স্থানীয়দের ভাষ্য, ১৯৭১ সালে তরুণ বয়সে মজিদ মণ্ডল বাড়ির জামে মসজিদে ইমামতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন হাফেজ আব্দুল কদ্দুস। এরপর থেকে টানা ৫৬ বছর নিষ্ঠা, সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে তিনি একই মসজিদে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা এ কে এম ফজলুল হক বলেন, ইমামতি ছাড়াও তিনি শিশুদের কোরআন শিক্ষা, ইসলামী মূল্যবোধের প্রসার এবং সামাজিক-ধর্মীয় নানা বিষয়ে মানুষকে দিকনির্দেশনা দিয়ে আসছেন। অসুস্থতা বা প্রতিকূল আবহাওয়াতেও তিনি দায়িত্ব পালনে কখনো অবহেলা করেননি।

উদ্যোক্তাদের অন্যতম ফরিদ আহমেদ লালু ও আশরাফুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিনের নিরলস ধর্মীয় সেবার স্বীকৃতি এবং ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবেই এলাকাবাসী সম্মিলিতভাবে তার ওমরাহর সব খরচ বহনের উদ্যোগ নেন।

বিদায়ের আগে আবেগঘন বক্তব্যে হাফেজ আব্দুল কদ্দুস বলেন, “১৯৭১ সাল থেকে এই মসজিদে ইমামতি করছি। কখনো ভাবিনি আপনারা আমাকে এভাবে সম্মানিত করবেন। আল্লাহ আপনাদের উত্তম প্রতিদান দিন। পবিত্র ভূমিতে গিয়ে দেশ, জাতি ও আপনাদের সবার জন্য দোয়া করব।”

স্থানীয়দের মতে, এটি শুধু একজন ইমামের প্রতি সম্মান নয়; বরং দীর্ঘদিনের নিষ্ঠাবান ধর্মীয় সেবার প্রতি সমাজের কৃতজ্ঞতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

ভোরের আকাশ/এনএ

 

মসজিদে নববীওমরাহ

শেয়ার করুন: