শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

যারা মায়েদের বুক খালি করেছে তাদের বিচার এখনও হলো না: শহীদ সাদের মা

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৫ আগস্ট ২০২৫, ২:১৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

দেশের জন্য যারা ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে আহত ও নিহত হয়েছে। যে উদ্দেশে তারা নিজেদের জীবন দিয়েছে সেভাবে আজ দেশেটাকে দেখতে পাচ্ছি না। সন্তানের বিনিময়ে যদি শান্তিময় দেশ দেখতে পাইতাম তবে কষ্টটা কম মনে হতো। সন্তান হারাইলাম কিন্তু দেশের শান্তি তো দেখতে পাচ্ছি না। জুলাই যোদ্ধাদের রক্তের বিনিময়ে দেশটাকে শান্তিময় করতে সবার প্রতি অনুরোধ জানান শহীদ আফিকুল ইসলাস সাদের মা আঞ্জুমান আরা।

আফিকুল ইসলাম সাদ ছিল সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। ৫ আগস্ট দুপুরে উপজেলার ধামরাই সরকারি হার্ডিঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজের মূল ফটকের কাছে পুলিশের গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়। চিকিৎসাধীর অবস্থায় ৮ আগস্ট মারা যান।

আঞ্জুমান আরা বলেন, সাদকে যে বা যারা নির্মমভাবে গুলি করে মারলো আরও হাজারো মায়ের সন্তানদের যারা নির্মমভাবে হত্যা করলো ফ্যাসিস্ট সরকারের অধীনে যে সকল পুলিশ এ গুলি করেছে, মায়ের বুক খালি করেছে তাদের বিচার এখনও হলো না। দেশের জন্য যারা ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে আহত ও নিহত হয়েছে। যে উদ্দেশে তারা নিজেদের জীবন দিয়েছে সেভাবে আজ দেশেটাকে দেখতে পাচ্ছি না। সন্তানের বিনিময়ে যদি শান্তিময় দেশ দেখতে পাইতাম তবে কষ্টটা কম মনে হতো। সন্তান হারাইলাম কিন্তু দেশের শান্তি তো দেখতে পাচ্ছি না। সবার প্রতি অনুরোধ জুলাই যোদ্ধাদের রক্তের বিনিময়ে দেশটাকে শান্তিময় করুন ।

তিনি বলেন, সবসময় ছেলের স্মৃতিগুলো তাড়া করে বেড়ায়। সাদ সবসমই সে আমার সঙ্গে আছে এমন মনে হয়। কিন্তু তার মা ডাক তো আর শুনতে পাই না। সবসময় মুখে হাসি থাকা ছেলেটা আজ নেই। তার বই পত্র, খেলনা সবই আগের মতোই আছে। তার খুব ইচ্ছা ছিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সেটি আর পূরণ হলো না।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

শহীদ সাদ

শেয়ার করুন: