শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সীমান্তে ১০ রোহিঙ্গার অনুপ্রবেশ

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার

প্রকাশ : ২৪ মার্চ ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- ভোরের আকাশ
ছবি- ভোরের আকাশ

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার থেকে নতুন করে শিশুসহ ১০ জন রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করেছেন। 

সোমবার (২৩ মার্চ) ভোরে নাফ নদী পাড়ি দিয়ে তারা টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে উখিয়া উপজেলার জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আশ্রয় নেন। অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে সাতজনই শিশু বলে জানা গেছে। তারা হলেন— ছমুদা (১৮), সাবেকুন্নাহার (১৫), মো. সলিম (১৩), জবিউল্লাহ (১২), মো. আনোস (১১), জিয়াবুর রহমান (১০), শায়েকা (৮), উম্মে হাবিবা (৭), মো. ইসমাইল (৬) ও রেহেনা (৫)।

উখিয়ার ১৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাঝি মোহাম্মদ সলিম অনুপ্রবেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ভোরে সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করে ওই ১০ জন তার ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছেন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

এদিকে দীর্ঘ নয় বছর পার হলেও এখনো একজন রোহিঙ্গাকেও স্থায়ীভাবে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়নি। বরং পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। গত ১৫ মাসে নতুন করে প্রায় ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪৫৬ জন রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। সীমান্তের ওপারেও আরও অনেক রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের অপেক্ষায় জড়ো হচ্ছে, যা মানবিক সংকটের পাশাপাশি আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি করছে।

সোমবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মিজানুর রহমান সম্প্রতি জানিয়েছেন, সীমান্তে রোহিঙ্গাদের জড়ো হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে, যা মোটেও ইতিবাচক নয়। প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি, তবে এ বিষয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে সরকারের আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমামুল হাফিজ নাদিম বলেন, নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের বিষয়টি তিনি অবগত নন এবং খোঁজখবর নিচ্ছেন।

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে বিজিবির টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ভোরের আকাশ/এসএইচ
 

রোহিঙ্গাটেকনাফ

শেয়ার করুন: