শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সাগরে ৫৮ দিনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা

কক্সবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ৪:৫৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

কক্সবাজার উপকূলে সাগরে মাছ ধরার ওপর ৫৮ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শুরু হওয়ায় জেলেদের মাঝে চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। 

একদিকে সাগরে মাছের আকাল, অন্যদিকে দীর্ঘদিনের জ্বালানি সংকট সব মিলিয়ে জীবিকা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন হাজারো মৎস্যজীবী। এরই মধ্যে মঙ্গলবার মধ্যরাতের পর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়েছে এ নিষেধাজ্ঞা।

কক্সবাজার শহরের বাঁকখালী নদীর তীরের ৬ নম্বর জেটি ঘাটে গিয়ে দেখা গেছে, সারি সারি ট্রলার নোঙর করে রাখা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা শুরুর আগেই সাগর থেকে ফিরে আসেন অধিকাংশ জেলে। অনেকেই জানান, টানা কয়েকদিন সাগরে অবস্থান করেও প্রত্যাশিত মাছ না পাওয়ায় খালি হাতেই ফিরতে হয়েছে।

জেলে রবিউল হুসাইন বলেন, গত এক মাস ধরে জ্বালানি সংকটের কারণে ঠিকমতো সাগরে যেতে পারিনি। এখন আবার নিষেধাজ্ঞা শুরু হওয়ায় সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়বে।

আরেক জেলে রহিম উল্লাহ বলেন , “ঋণ করে জাল ও তেল কিনেছি। মাছ না পেয়ে এখন দেনার দায়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছি। সামনে পরিবার নিয়ে কীভাবে চলবো বুঝতে পারছি না।”

ট্রলার মালিক আব্দুর রহমান  অভিযোগ করে বলেন , “সরকারি সহায়তা যে পরিমাণ দেওয়া হয় তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। নিষেধাজ্ঞার সময় কিছুটা পেছানো হলে আমরা অন্তত কিছুটা ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারতাম।”

মৎস্য ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম বলেন, “সাগরে মাছ কমে যাওয়ার পেছনে মূলত অনিয়ন্ত্রিত ট্রলিং দায়ী। তার ওপর জ্বালানি সংকটে গভীর সাগরে যাওয়া সম্ভব হয়নি। এতে আমরা বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছি।”

কক্সবাজার জেলা ফিশিং বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন জানান, প্রতিবছর ১ জুন থেকে ৪৫ দিনের জন্য নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হলে জেলেরা কিছুটা স্বস্তি পেতেন। আমরা এ দাবিটি সরকারকে জানিয়েছি।”

সংশ্লিষ্টদের মতে, দীর্ঘমেয়াদি এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জেলেদের জন্য পর্যাপ্ত সহায়তা নিশ্চিত করা না গেলে উপকূলীয় এলাকায় মানবিক সংকট আরও বাড়তে পারে।

কক্সবাজার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাজমুল হুদা বলেন, “নিষেধাজ্ঞা সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কার্যকর করা হয়েছে। ইতোমধ্যে জেলার ৬৪ হাজার ২৩ জন নিবন্ধিত জেলের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ শুরু হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, “কক্সবাজারে এখনও অনেক জেলে নিবন্ধনের বাইরে রয়েছেন। তাদের নিবন্ধনের কাজ চলমান রয়েছে। পর্যায়ক্রমে সবাইকে সহায়তার আওতায় আনা হবে। এছাড়া জেলেদের দাবিগুলো লিখিতভাবে পেলে তা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।”

ভোরের আকাশ/ র.ই


 

মাছ ধরা নিষেধসাইফুল ইসলাম

শেয়ার করুন: