শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

রংপুরে আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ নারীর মৃত্যু

রংপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০২৬, ৭:০৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

শীতে আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাজেরা বেগম (৩৬) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. কানিজ ফাতেমা।

এর আগে, ভোরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে তার মৃত্যু হয়। মৃত হাজেরা বেগম গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বিশুগাড়ি ইউনিয়নের আব্দুর রহিমের স্ত্রী। তিনি জন্মগতভাবে বাক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ছিলেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ৪ জানুয়ারি দগ্ধ অবস্থায় হাজেরা বেগমকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এসময় শরীরের প্রায় ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। পাঁচ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি মারা যান।

মৃতের স্বজন মেহের নেগার জানান, হাজেরা বেগম তার মেয়ের ননদ। জন্ম থেকেই তিনি বাক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ছিলেন। তীব্র শীতের কারণে গত ৪ জানুয়ারি সকালে বাড়ির উঠানে বড়ই গাছের নিচে খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহাচ্ছিলেন তিনি। এ সময় তার পরনের কাপড়েও আগুন ধরে যায়। যার কারণে কোমর ও বুকের গুরুত্বপূর্ণ অংশ মারাত্মকভাবে পুড়ে যায়। আজ ভোরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. কানিজ ফাতেমা বলেন, শীত মৌসুমের সময় আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ রোগীর সংখ্যা দুই থেকে তিন গুণ বেড়ে যায়। তাই শীত নিবারণে খোলা আগুন ব্যবহারে সচেতন থাকা দরকারর। শীত নিবারনে গরম কাপড় পরিধান এবং পারিবারিক সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান তিনি।

ভোরের আকাশ/আ.ব

 

আগুনে পুড়ে মৃত্যুরংপুর

শেয়ার করুন: