শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

চাহিদার দ্বিগুণ পশু প্রস্তুত

লাভের আশায় নিয়ামতপুরের খামারিরা

নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৭ মে ২০২৫, ৯:০৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
নিয়ামতপুরের  হাটে কোরবানির পশু বেচাকেনার প্রস্তুতি
নিয়ামতপুরের হাটে কোরবানির পশু বেচাকেনার প্রস্তুতি

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় কোরবানির পশু প্রস্তুতের কাজ শেষ করেছেন স্থানীয় খামারিরা। তারা আশাবাদী, ভারত থেকে পশু আমদানি বন্ধ থাকলে এ বছর দেশীয় গরুর ভালো চাহিদা থাকবে এবং ন্যায্য দামে গরু বিক্রি করে তারা লাভবান হতে পারবেন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে নিয়ামতপুরে মোট ৫৬ হাজার ৬শ ২০টি কোরবানিযোগ্য পশু প্রস্তুত হয়েছে। এর মধ্যে উপজেলার চাহিদা ২৭ হাজার ২২৪টি পশু, ফলে উদ্বৃত্ত রয়েছে প্রায় ২৯ হাজার ৩৭৬টি পশু। এই উদ্বৃত্ত পশু গুলো স্থানীয় হাট ছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে।

উপজেলায় রয়েছে ৩৮ হাজার ১১০টি ছাগল, ৪ হাজার ৭৮৪টি ভেড়া, ৪ হাজার ৪৬৫টি গাভী, ৬ হাজার ১১৫টি ষাঁড় ও ১১৬টি মহিষ।

উপজেলার চারটি নিয়মিত গরুর হাট ইতোমধ্যে সক্রিয় হয়েছে, ছাতড়া হাট, বরেন্দ্র মাদ্রাসা হাট, বটতলী হাট এবং সাংসইল হাট। এছাড়াও সোনাইচণ্ডী ও চো বাড়িয়া হাটসহ আরও কয়েকটি বৃহৎ হাটে গরু বেচাকেনার প্রস্তুতি চলছে। কিছু খামারি গরু নিয়ে রাজশাহী সিটি হাটেও যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন।

স্থানীয়ভাবে সরকারি নিবন্ধনপ্রাপ্ত ৩৭ জন খামারি তাদের খামারে প্রস্তুত গরু হাটে তুলতে প্রস্তুত। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন, রমজান আলী ১০টি, ফিরোজ কোভিদ ১০টি, শহীদুর রহমান ১০টি, আব্দুল্লাহ (ছাতনা) ৭টি, কামাল (বদলপুর) ৭টি, মান্নান (দরগাপাড়া) ৯টি, জাহিদুল (চওড়া কসবা) ১২টি, আলাউদ্দিন (সমাজপুর) ১২টি, তাইজুল (বৃষ্টিপানি স্যারগ্রাম) ১২টি, শহিদুল (বাসুদেবপুর) ২৫টি, লুৎফর রহমান (পানিসাইল) ২৫টি।

শ্রীমন্তপুর গ্রামের আরও অনেক খামারিও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক গরু প্রস্তুত করেছেন।

খামারিরা জানান, তারা সারা বছর কষ্ট করে গরু লালন-পালন করেন। কিন্তু ভারতীয় গরু আমদানি হলে দেশীয় গরুর দাম পড়ে যায়। তাই তারা আশা করছেন, এবার ভারতীয় গরু না এলে এবং বাজার চাহিদা ঠিক থাকলে ভালো লাভ করা সম্ভব হবে।

স্থানীয় খামারি শহীদুর রহমান বলেন,আমরা প্রায় এক বছর ধরে গরু লালন করি, হাজার হাজার টাকা খরচ করি। যদি ভালো দাম না পাই, তাহলে সেই খরচ তুলতেই কষ্ট হবে। তবে ভালো দাম পেলে খামার বড় করার সাহস পাব।

নিয়ামতপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুল লতিফ জানান,খামারিদের নিয়মিত পরামর্শ, চিকিৎসা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ঈদকে কেন্দ্র করে বাজার ব্যবস্থাপনায়ও আমরা সক্রিয়ভাবে কাজ করছি।

খামারিরা আরও বলেন, গোখাদ্যের দাম, লেবার খরচ এবং ওষুধের মূল্যবৃদ্ধির কারণে তারা চাপে আছেন। তবে ভালো দাম পেলে তারা শুধু ঋণমুক্ত হবেন না, বরং নতুন খামার স্থাপন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবেন।

ভোরের আকাশ/আজাসা

শেয়ার করুন: