নোয়াখালীতে আন্তঃজেলা চোর চক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর মাইজদী থেকে চুরি হওয়া একটি মোটরসাইকেল উদ্ধারসহ আন্তঃজেলা চোর চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সুধারাম মডেল থানা পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলো—হাতিয়া থানার দক্ষিণ হাতিয়া এলাকার মো: ফয়সাল (৩৫) এবং চরজব্বর থানার পশ্চিম চরলিয়ার জাহাঙ্গীর আলম (৩২)।
গত ১২ জুলাই রাত আনুমানিক ১০টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে নোয়াখালী পৌরসভার মাইজদী টু সোনাপুর সড়কের পাশে টোকিও ফুডের সামনে থেকে ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশন ও দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার নোয়াখালী স্টাফ রিপোর্টার আবু নাছের মঞ্জুর একটি কালো রঙের হোন্ডা (১১০ সিসি) মোটরসাইকেল চুরি হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের দিকনির্দেশনায় সুধারাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো: নজরুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে পুলিশি অভিযান শুরু হয়।
তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ কৌশলে ক্রেতা সেজে চোর চক্রের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে। মোটরসাইকেল কেনার আগ্রহ দেখালে চোর চক্র অগ্রিম ১০ হাজার টাকা দাবি করে। পরবর্তীতে বিকাশ নাম্বারে টাকা পাঠানোর পর তারা কাঞ্চন মেম্বারের পোল এলাকায় আসতে বলে।
১৭ জুলাই রাত ১১টা ১৫ মিনিটে চোর মো: ফয়সাল চুরি হওয়া মোটরসাইকেলটি নিয়ে উক্ত স্থানে পৌঁছালে পুলিশ তাকে হাতেনাতে আটক করে। পরবর্তীতে ফয়সালের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৮ জুলাই রাত ১২টা ৫ মিনিটে সহযোগী জাহাঙ্গীর আলমকে আরেকটি হিরো গ্ল্যামার (১২৫ সিসি) লাল রঙের চোরাই মোটরসাইকেলসহ আটক করা হয়।
পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিন জানান, গ্রেফতারকৃতরা আন্তঃজেলা সংঘবদ্ধ চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে মাইজদী শহরসহ বিভিন্ন স্থান থেকে মোটরসাইকেল চুরি করে আসছিল। এর মধ্যে মো: ফয়সালের বিরুদ্ধে চুরি, ছিনতাই ও দস্যুতাসহ বিভিন্ন থানায় ১০টি এবং জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে ২টি চুরি মামলা রয়েছে বলে জানাযায়।
উদ্ধারকৃত দুটি মোটরসাইকেলের বাজারমূল্য আনুমানিক ২ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। এ ঘটনায় সুধারাম মডেল থানায় ৩৭৯ ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
ভোরের আকাশ/র ই