শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মানিকগঞ্জে ১৫০০ টাকা মজুরিতেও মিলছে না শ্রমিক, দুশ্চিন্তায় কৃষক

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৮ জুন ২০২৫, ১:১৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
মানিকগঞ্জে ১৫০০ টাকা মজুরিতেও মিলছে না শ্রমিক, দুশ্চিন্তায় কৃষক
মানিকগঞ্জে ১৫০০ টাকা মজুরিতেও মিলছে না শ্রমিক, দুশ্চিন্তায় কৃষক

শ্রমিক সংকটে বিপাকে পড়েছেন মানিকগঞ্জের কৃষকরা। বোরো ধান একসঙ্গে পেকে যাওয়ায় এবং বাইরে থেকে শ্রমিক না আসায় মাঠের ধান ঘরে তুলতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

শ্রমিকের অভাবে ১৫শ টাকাতেও মজুর মিলছে না। এতে যেমন বাড়ছে খরচ, তেমনি আশঙ্কা দেখা দিয়েছে ফসল মাঠেই নষ্ট হওয়ার।

কৃষক রফিক জানান, আগে ৬০০-৮০০ টাকা মজুরিতে শ্রমিক পাওয়া যেত, এখন ১৫০০ টাকাতেও মিলছে না। এতে এক বিঘা জমির ধান কাটতে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হচ্ছে। একই সমস্যার কথা জানান গোপালনগরের ইয়াকুব হোসেন ও নয়াপাড়ার জয়নালও।

তারা জানান, শ্রমিক না পেয়ে অনেকেই পরিবার নিয়ে মাঠে নেমেছেন। অন্যদিকে হারভেস্টার ভাড়া পেতে সিরিয়ালে বসে থাকতে হচ্ছে। যদি বৃষ্টি নামে, তাহলে ক্ষতির পরিমাণ হবে আরও ভয়াবহ।

ধান কাটতে রংপুর থেকে আসা শ্রমিক আহমদ আলী বলেন, ‘ভোর ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাটছি, দিনে এক হাজার থেকে ১৩০০ টাকা পাই। বাজারে খরচের সঙ্গে তাল মেলাতে না পারলে চলা কঠিন।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হাবিবুল বাশার চৌধুরী জানান, ঈদের ছুটির কারণে শ্রমিকরা দেরিতে এসেছে, ফলে সংকট দেখা দিয়েছে। দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ভোরের আকাশ/আজাসা

শেয়ার করুন: