অভিযোগের মুখে নাটোরে বদলি ময়মনসিংহের ডেপুটি সিভিল সার্জন ফয়সাল

কর্মচারী বদলি, হয়রানি ও ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ ঘিরে আলোচনায় থাকা ময়মনসিংহের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. ফয়সাল আহমেদকে নাটোরে বদলি করা হয়েছে। ময়মনসিংহ সিভিল সার্জন কার্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জনের দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ওঠে। এর মধ্যে রয়েছে সাত মাসে ৩২ কর্মচারীকে বদলি এবং ক্যাশিয়ার ইমরান মেহেদী হাসানকে ময়মনসিংহে যোগদানের সুযোগ করে দিতে পাঁচ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ।
কার্যালয়ের কয়েকজন কর্মচারীর দাবি, ডা. ফয়সাল দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তাদের অনেকে হয়রানির শিকার হয়েছেন। তাদের অভিযোগ, কর্মচারীদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করতে একের পর এক বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ময়মনসিংহের বক্ষব্যাধি ক্লিনিকে ২০১৬ সাল থেকে অফিস সহায়ক হিসেবে কর্মরত ছিলেন মিজানুর রহমান। ডা. ফয়সাল দায়িত্ব নেওয়ার পর তাকে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে অবনমন করা হয়। মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমার কোনো দোষ ছিল না।’ নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মচারীও হয়রানির অভিযোগ করেন।
সম্প্রতি সিভিল সার্জন কার্যালয়ের আশপাশে সাঁটানো পোস্টারে ডা. ফয়সালের বিরুদ্ধে পাঁচ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়। পোস্টারে দাবি করা হয়, ক্যাশিয়ার ইমরান মেহেদী হাসানকে ময়মনসিংহে যোগদানের সুযোগ করে দিতে ওই অর্থ নেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ অস্বীকার করে ডা. ফয়সাল বলেন, ‘পাঁচ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ তুলে যে পোস্টার করা হয়েছে, সেটি মিথ্যা। আমি এ বিষয়ে জিডি করেছি।’ কর্মচারীদের বদলির বিষয়ে তার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত এবং দুর্নীতিতে জড়িত কর্মচারীদের বদলি করা হয়েছে।
ভোরের আকাশ/আ.র