শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

শেরপুরে সরিষা ক্ষেতে অধিক ফলনের স্বপ্ন কৃষকের

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫, ২:৪৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- ভোরের আকাশ
ছবি- ভোরের আকাশ

বগুড়ার শেরপুরে দিগন্তজোড়া ফসলের মাঠে এখন শুধু হলুদের সমারোহ। চারদিকে সরিষা ফুলের মৌ মৌ গন্ধে মুখরিত হয়ে উঠেছে প্রকৃতি। দেখে মনে যেন মনে হয় এক গুচ্ছ হলুদের মাঠ। গত বছর সরিষা চাষে কৃষকরা বেশ লাভবান হলেও এ বছর লক্ষ্যমাত্রা পুরোপুরি পূরণ হয়নি।

তবে প্রতিকূল আবহাওয়া সত্ত্বেও মাঠের পর মাঠ হলুদে ছেঁয়ে যাওয়ায় বাম্পার ফলনের স্বপ্ন দেখছেন স্থানীয় কৃষকরা।

সরেজমিনে শেরপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সরিষার হলুদ ফুল প্রকৃতিতে এক নান্দনিক রূপ দিয়েছে। ওই সকল মাঠে ফুলের সুবাস চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে, যা আকৃষ্ট করছে মৌমাছি ও প্রকৃতিপ্রেমীদের। সরিষার ক্ষেতে সুইচোরা, বুলবুলি ও শালিকের ঝাঁকসহ বিভিন্ন পাখিদের আনাগোনা বেড়েছে।

এই সকল মনোরম দৃশ্য দেখতে ও ক্যামেরাবন্দি করতে দূর-দূরান্ত থেকে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও প্রকৃতিপ্রেমীরা ভিড় করছেন সরিষার মাঠে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে শেরপুরে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা ৩ হাজার ২৭০ হেক্টর নির্ধারণ করা হলেও এ পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার ১৮১ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ করা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা পুরোপুরি পূরণ না হওয়ার পেছনে প্রতিকূল আবহাওয়াকে অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এবার এই উপজেলায় বারি-১১, বারি-১২, বারি-১৩, বারি-১৪, ঠরি-৭ জাতের সরিষা চাষ করা হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি চাষ করা হয় বারি-১৪ জাতের সরিষা।

খানপুর ইউনিয়নের শালফা গ্রামের কৃষক হায়দার আলী, সেলিম সরকার ও মোজাম্মেল হক জানান, গত বছর তারা সরিষা চাষ করে লাভবান হয়েছিলেন। এবছরও গাছ ও ফুল খুব ভালো হয়েছে। তারা আশা করছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবারও ভালো লাভ হবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার বলেন, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আবাদ কিছুটা কম হলেও এখন পর্যন্ত সরিষার অবস্থা বেশ ভালো। যদি বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হয়, তাহলে এবার সরিষার আশানুরূপ ফলন পাওয়া যাবে।

ভোরের আকাশ/মো.আ.


 

বগুড়া

শেয়ার করুন: