শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

খাগড়াছড়িতে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি, দীঘিনালা-লংগদু সড়ক প্লাবিত

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৯ জুলাই ২০২৫, ৯:৪২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
খাগড়াছড়িতে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি, দীঘিনালা-লংগদু সড়ক প্লাবিত
খাগড়াছড়িতে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি, দীঘিনালা-লংগদু সড়ক প্লাবিত

পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে টানা বৃষ্টির কারণে জেলার নদী-নদী ও ছড়া-খালের পানি দ্রুত বাড়ছে। চেঙ্গী ও মাইনীতে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে এরইমধ্যে কিছু নিচু এলাকায় প্রবেশ করতে শুরু করেছে।  চেঙ্গীনদীতে বিপদসীমার কাছাকাছি দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে বন্যার আশংকা রয়েছে।

এদিকে দীঘিনালা উপজেলার মেরুং এলাকার কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। মাইনী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে মেরুং স্টিল ব্রিজ এলাকায় দীঘিনালা-লংগদু সড়কেও পানি উঠেছে। তবে, এখনো সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

ভারি বর্ষণের কারণে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় পাহাড় ধসের শংকাও দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে জেলা সদরের শালবন, সবুজবাগ, কলাবাগান, কুমিল্লাটিলাসহ কয়েকটি চিহিৃত এলাকায় বসবাসকারীদের সরিয়ে নিতে উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন। তারই অংশ হিসেবে শহরের ধসপ্রবন শালবন এলাকা পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকারসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

পরিদর্শনকালে পাহাড়ের ঝুঁকিতে বসবাসকারীদের নিরাপদে সরে যেতে অনুরোধ জানানো হয়। প্রয়োজনে প্রশাসনের খোলা আশ্রয় কেন্দ্রে উঠতে তাদের প্রতি আহবান করা হয়।
জেলা প্রশাসক এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার জানান, দূর্যোগপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত বিদ্যালয়গুলোকে আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

ভোরের আকাশ/আজাসা

শেয়ার করুন: